রাজনীতি
ছবি: সংগৃহীত

“শান্তি ফেরাতে দরকার সুষ্ঠু নির্বাচন” — জয়নুল আবদিন ফারুক।

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, সহিংসতা ও অশান্তির পটভূমিতে একমাত্র সমাধান হিসেবে অবাধ ও  সুষ্ঠু নির্বাচনকে চিহ্নিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক। তার ভাষ্য, “যদি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়, তবে শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে।

শুক্রবার (১৬ মে) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ লেবার পার্টি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, দেশের মানুষ রাজনৈতিক দমন-পীড়ন ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে হলে একটি বৈধ রাজনৈতিক ম্যান্ডেট দরকার, যা কেবলমাত্র একটি অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমেই সম্ভব।

তিনি বলেন, “সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের দেশ ত্যাগ কিংবা সাম্য হত্যাকাণ্ড— এসব ঘটনার তদন্ত করে এখন আর বাস্তব কোনো লাভ নেই। শহীদদের আর ফেরানো যাবে না। বরং এই মৃত্যু-নির্যাতনের সংস্কৃতি থামাতে হলে গণতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতা পরিবর্তনের পথ খোলা রাখতে হবে। তার জন্য চাই একটি সর্বজনগ্রাহ্য নির্বাচন।”

করিডর ইস্যুতে সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার মতে, “ভারতের সঙ্গে করিডর ইস্যু নিয়ে যেসব আলোচনা চলছে, তা একটি অনির্বাচিত সরকারের একতরফা সিদ্ধান্তে হচ্ছে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবলমাত্র জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারেরই আছে। এই সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে কেবলমাত্র একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা।”

ফারুকের এই বক্তব্য শুধু রাজনৈতিক দাবি নয়, বরং বর্তমান অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে একটি দিকনির্দেশনাও। তার কথায় স্পষ্ট, বিএনপি নেতৃত্বাধীন আন্দোলন এখন আর কেবল একটি দলের পক্ষে নয়— বরং তা গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা, শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর এবং রাষ্ট্রীয় স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।

মতামত দিন