সড়ক ও ফুটপাত দখলের বিরুদ্ধে শিগগিরই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক।
রাজধানীর পুরান ঢাকার ধোলাইখাল এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখলের বিরুদ্ধে শিগগিরই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। বুধবার (৪ মার্চ) ঢাকা-৬ আসনের বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।
ধোলাইখাল রোড উন্নয়ন প্রকল্প ও সুভাষ বোস অ্যাভিনিউয়ের চলমান নির্মাণকাজ ঘুরে দেখে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বড় অংশ অবৈধ স্থাপনা ও ব্যবসায়িক দখলে চলে গেছে। অনেক জায়গায় রাস্তার প্রায় অর্ধেক অংশ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী এসব দখল অপসারণ করে পথচারী ও যান চলাচলের জন্য সড়ক উন্মুক্ত করা হবে।
তিনি জানান, প্রায় ৭৮০ মিটার দীর্ঘ ধোলাইখাল সড়কের দুই পাশে মোট ১ দশমিক ৫৬ কিলোমিটার আরসিসি ড্রেন নির্মাণ চলছে। পাশাপাশি ৫৮০ মিটার দীর্ঘ সুভাষ বোস অ্যাভিনিউয়ের উভয় পাশেও ড্রেনেজ অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পগুলো শেষ হলে জলাবদ্ধতা কমার পাশাপাশি এলাকার সামগ্রিক পরিবেশ উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সড়ক দখল সমস্যার স্থায়ী সমাধানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ট্রাফিক বিভাগ, থানা-পুলিশ এবং সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করা হবে বলে জানান তিনি। এছাড়া স্থানীয় মার্কেট মালিক ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও আলোচনা হবে।
ধোলাইখাল ট্রাক স্ট্যান্ড নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত সীমার বাইরে রাতের বেলায় ট্রাক পার্কিংয়ের কারণে পুরো সড়ক অচল হয়ে পড়ে। প্রথম ধাপে এসব অবৈধ পার্কিং সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, যেখানে স্বল্প সময়েই যান চলাচল সম্ভব হওয়ার কথা, সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। পুরান ঢাকায় নির্দিষ্ট বাসস্ট্যান্ড না থাকায় সড়কের ওপর বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানামার প্রবণতাও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হবে। প্রয়োজনে অন্তর্বর্তী সমাধান হিসেবে সীমিত লেনে বাস থামানোর ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে।
ঢাকার যানজট নিরসনে সমন্বিত নীতি প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণপরিবহন ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলায় আনতে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতামত দিন