ঝিনাইদহে নির্বাচনের পর সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় উত্তেজনা,আহত ৩০।
ঝিনাইদহে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঝিনাইদহ-৪ আসনের কালীগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থী আবু তালিব বিজয়ী হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা রাত থেকেই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলতে থাকেন। শুক্রবার সকাল থেকে কালীগঞ্জ, কোলা, জামাল, নিয়ামতপুর ও নলডাঙ্গা ইউনিয়ন এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। ধানের শীষের সমর্থকরা কালীগঞ্জ শহরের থানা রোডে স্বতন্ত্র প্রার্থীর অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও ৩ জনকে আহত করেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ অভিযোগ করেন, “আমার অফিসে হামলা চালানো হয়েছে এবং আমার কর্মীদের আহত করা হয়েছে। পুলিশ এখনও যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে না।” অন্যদিকে ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খান জানান, “কোনো পক্ষের ওপর হামলার বিষয়টি আমার জানা নেই। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে।”
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাই হোসেন বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ এলাকায় উপস্থিত হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক, তবে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।”
এছাড়া ঝিনাইদহ-২ আসনের সদরে দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে; জামায়াত সমর্থক আহত হয়েছেন। মহেশপুরে প্রেসক্লাবেও হামলা ও তছনছের ঘটনা ঘটেছে, যা সাংবাদিক সংগঠন নিন্দা জানিয়েছে। মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতামত দিন