এনসিপির বাকি ৩ আসনে প্রার্থীতা ঘোষণা।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটের অন্তর্ভুক্ত ৩০টি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এনসিপির মিডিয়া সেলের প্রধান মাহবুব আলম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, এর আগে ফাঁকা রাখা তিনটি আসনেরও প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে। নেত্রকোনা–২ আসনে ফাহিম পাঠান, মৌলভীবাজার–৪ আসনে প্রীতম দাশ এবং রাজবাড়ী–২ আসনে জামিল হিজাযী এই আসনগুলোতে এনসিপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এনসিপি ইতোমধ্যে ২৭টি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেছিল। চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে দলের প্রধান নাহিদ ইসলাম ঢাকা–১১ আসনে, সদস্য সচিব আখতার হোসেন রংপুর–৪, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ কুমিল্লা–৪ এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম পঞ্চগড়–১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া ঢাকা–৮, নোয়াখালী–৬, ঢাকা–৯, ঢাকা–১৮, ঢাকা–১৯, ঢাকা–২০, নারায়ণগঞ্জ–৪, মুন্সীগঞ্জ–২, লক্ষ্মীপুর–১, সিরাজগঞ্জ–৬, নরসিংদী–২, বান্দরবান, চট্টগ্রাম–৮, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৩, দিনাজপুর–৫, নোয়াখালী–২, কুড়িগ্রাম–২, ময়মনসিংহ–১১, টাঙ্গাইল–৩, গাজীপুর–২, পিরোজপুর–৩ এবং নাটোর–৩ আসনে দলের প্রার্থীরা ভোটের লড়াইয়ে নামছেন। সকল প্রার্থী ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে নির্বাচন করবেন।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন এই নির্বাচনী জোট ২৫৩টি আসনে সমঝোতার ঘোষণা দেয়। যদিও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোটে থাকার কথা থাকলেও তারা শেষ পর্যন্ত অংশ নেয়নি এবং এককভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা দেয়। পরবর্তীতে বাকি ৩২টি আসনে তারা বিভিন্ন দলকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
এনসিপি ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, যদিও দলটি মোট ৪৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। জোটে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সরে যাওয়ার পর এনসিপি আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করার জন্য জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চালায়।

মতামত দিন