জামায়াতের জাতীয় সমাবেশ, দলীয়ভাবে দেওয়া হলো ২১ দফা দিকনির্দেশনা।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনাগুলো জানানো হয়।
নির্দেশনায় দলীয় নেতাকর্মীদের বলা হয়েছে—
১. নির্ধারিত সময়ের আগেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উপস্থিত হয়ে স্থান পূর্ণ করতে হবে।
২. আমিরে জামায়াতের বক্তব্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ সভাস্থল ত্যাগ করবেন না।
৩. আবহাওয়া প্রতিকূল হলেও নিজ নিজ অবস্থান বজায় রাখতে হবে।
৪. কেবল জাতীয় পতাকা বহনের অনুমতি রয়েছে—ভিন্ন কোনো পতাকা ব্যবহার নিষিদ্ধ।
৫. শোভাযাত্রায় কোনো রাজনৈতিক নেতা বা সংগঠনের বিরুদ্ধে স্লোগান না দিতে বলা হয়েছে।
৬. বয়োজ্যেষ্ঠ ও শিশুদের (যদি কেউ আসে) চলাচলে অগ্রাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
৭. উদ্যানের চারপাশে থাকবে ১৫টি মেডিকেল বুথ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক দল।
৮. অভ্যর্থনা ও মাঠ এলাকায় থাকবে দলীয় ইউনিফর্ম পরিহিত স্বেচ্ছাসেবক, যাদের নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।
৯. প্রত্যেকে নিজ দায়িত্বে পর্যাপ্ত পানি ও প্রয়োজনীয় খাবার সঙ্গে রাখবেন।
১০. সমাবেশ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত সভাস্থল ত্যাগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১১. জরুরি প্রয়োজনে দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য বেশ কয়েকজনের ফোন নম্বরও বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া হয়েছে।
সমাবেশ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েক হাজার যানবাহন রাজধানীতে প্রবেশ করবে বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এসব গাড়ি ব্যবস্থাপনায়ও কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়, যার মধ্যে রয়েছে—
১. প্রতিটি গাড়ির সামনে থাকবে স্টিকার—যেখানে অঞ্চল, ড্রপিং পয়েন্ট, পার্কিং স্পট, চালক ও দায়িত্বরত নেতার নাম ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ থাকবে।
২. একই শাখা থেকে যেসব গাড়ি আসছে, তাদের একযোগে যাত্রার চেষ্টা করতে বলা হয়েছে।
৩. ঢাকার অভ্যন্তরীণ ফ্লাইওভার ব্যবহার না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
৪. নির্ধারিত স্থানে যাত্রী নামিয়ে গাড়িগুলোকে নির্ধারিত পার্কিং স্পটে রাখতে হবে।
৫. সকাল ১০টার মধ্যে ঢাকায় পৌঁছাতে হবে, এমনটাই বলা হয়েছে নির্দেশনায়।
৬. কোনো গাড়ি যদি নির্ধারিত স্থানে পৌঁছাতে না পারে, তবে বিকল্প পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করে সেখান থেকেই যাত্রী তুলতে হবে।
৭. নিজস্ব শাখার যানবাহনগুলো নিজস্ব ব্যবস্থায় সুশৃঙ্খলভাবে পার্ক করতে হবে।
৮. পার্কিংয়ের সময় সিঙ্গেল লাইনে রাখার পাশাপাশি অন্য যানবাহনের চলাচলের পথ খোলা রাখতে হবে।
৯. পার্কিং ও ড্রপিং এলাকায় নিয়োজিত ট্রাফিক ও স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দেশনা কঠোরভাবে মানার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
১০. ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশপথে ১০টি অভ্যর্থনা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে—যেখান থেকে অংশগ্রহণকারীরা সহায়তা নিতে পারবেন
মতামত দিন