গোপালগঞ্জে আবারও কর্মসূচির ঘোষণা, মুজিববাদ প্রতিরোধে শপথ নিলেন নাহিদ ইসলাম।
নাহিদ বলেন, “গোপালগঞ্জ কোনো পরিবারের নয়, এটা বাংলাদেশের মানুষের। এই জেলা হবে না মুজিববাদীদের—এই জেলা হবে বাংলাদেশপন্থিদের। প্রতিটি ঘরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পতাকা উড়বে।”
তিনি বলেন, গোপালগঞ্জ নিয়ে দলটির অবস্থান পরিষ্কার। সেখানে আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করে চলেছে। জেলা জুড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও সাধারণ মানুষের ওপর দমননীতি চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
নাহিদ দাবি করেন, “আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে শান্তিপূর্ণ অংশ নিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু মুজিববাদী সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এটা ছিল আমাদের নিশ্চিহ্ন করার চক্রান্ত।”
তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ বরাবরই গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়। ৫ আগস্টের পরেও অনেকে তাদের ‘রিফাইন্ড’ সংস্করণ খুঁজছিলেন। তাদের ভুলে যাওয়া উচিত নয়—এটা কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটা একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী।”
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, “যারা হামলায় জড়িত, তাদের আইনি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার করতে হবে। প্রশাসন যদি সময়মতো পদক্ষেপ নিত, তাহলে এত প্রাণহানি হতো না।”
তিনি জানান, “আমরা গোপালগঞ্জে ঢুকেছিলাম প্রশাসনের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী। পদযাত্রা নয়, শুধুমাত্র পথসভা করেছি। আমাদের লোকজনকে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে, বাস আটকে দেওয়া হয়েছে, এরপরও কর্মসূচি শেষ করেছি।”
হামলার ঘটনার পর যেসব মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান নাহিদ ইসলাম। তিনি জানান, ফরিদপুরে পরবর্তী কর্মসূচিতে দেখা হবে।
শেষে তিনি বলেন, “মকসুদপুর, কোটালীপাড়ার মাটি আমাদের শহীদদের রক্তে রঞ্জিত। আমরা এ ভূমিকে মুজিববাদীদের হতে দেব না। গোপালগঞ্জ পুনরুদ্ধার করতেই হবে।”
মতামত দিন