‘প্রধানমন্ত্রীর ১০ বছর মেয়াদই স্বৈরতন্ত্র প্রতিরোধের বড় পদক্ষেপ’ :সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, "একজন ব্যক্তি যেন ১০ বছরের বেশি সময় প্রধানমন্ত্রী না থাকতে পারেন, সেই সাংবিধানিক সীমা নির্ধারণের মধ্য দিয়েই স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতা রোধের ভিত্তি রচিত হয়েছে।"
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হলে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে। এমন কোনো আইন সংসদে পাস করা যাবে না, যা আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। একইসঙ্গে বিচার বিভাগের জবাবদিহিতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, "শুধু নির্বাহী ক্ষমতা খর্ব করে গণতান্ত্রিক কাঠামো শক্তিশালী করা যাবে না। আইনসভা, বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে ভারসাম্য থাকা চাই। তবেই একটি বিভাগ আরেকটির উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না।"
শহীদদের স্মরণ করে তিনি বলেন, "আমরা দাঁড়িয়ে আছি সেই রক্তাক্ত রাজপথের ওপর, যেখানে শহীদদের স্বপ্ন ও আত্মত্যাগ রয়েছে। তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হলে দেশের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।"
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন বলেন, "গণমাধ্যম যতটা স্বাধীন, ততটাই গণতন্ত্র দৃঢ় হয়। সাংবাদিকরা যেন মালিকানার অনুগত না হয়ে বিবেকের দিকনির্দেশনায় কাজ করতে পারেন—এটাই কাম্য।"

মতামত দিন