দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ফিরল জামায়াত, ফের মিলল নিবন্ধন।
১৯৮৬ সালের তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াত প্রথমবারের মতো দাঁড়িপাল্লাকে নিজেদের প্রতীক হিসেবে দাবি করে। নির্বাচন কমিশন সে সময় তাদের আবেদন মঞ্জুর করে। এরপর ২০০৮ সালে দল নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর পরও জামায়াত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকেই ভোটে অংশগ্রহণ করেছিল।
তবে ২০১৩ সালে উচ্চ আদালতের এক রায়ের ভিত্তিতে দলটির নিবন্ধন ‘অবৈধ’ ঘোষণা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা সংশোধন করে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক সম্পূর্ণ বাতিল করে দেয়।
এর পেছনে ছিল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের একটি চিঠি, যেখানে ইসিকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়—দাঁড়িপাল্লা প্রতীকটি যেন ভবিষ্যতে আর কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকেই বরাদ্দ না দেওয়া হয়, কারণ এটি আদালতের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
কিন্তু সব আইনি জটিলতা কাটিয়ে এবার নির্বাচন কমিশন আবারও জামায়াতকে রাজনৈতিক দল হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে, যার ফলে দলটি এখন আবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে নিজস্ব প্রতীক নিয়ে।
নিবন্ধন পুনরুদ্ধারকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং আসেনি, তবে দলটির নেতারা দাবি করছেন—‘গণতান্ত্রিক অধিকারের স্বীকৃতিই আবার ফিরেছে।’
মতামত দিন