'গোসসা নয়, গণতন্ত্র ফেরান':সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
আলাল বলেন, “একজন জনপ্রতিনিধির কাছে জনগণ যেকোনো সময় যেতে পারে, প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু বর্তমান সরকারের উপদেষ্টা পর্যায়ে সেই সুযোগ সীমিত। উপরন্তু, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে এমন এক শ্রেণি সক্রিয়, যারা স্বৈরতান্ত্রিক ধারার অনুসারী।”
তিনি আরও বলেন, “২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিপুল জনগোষ্ঠী ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। তারা এখন একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ নির্বাচনের অপেক্ষায়। আমাদের কথা সেই জনগণের হয়ে বলা।”
বর্তমান সরকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যর্থতা তুলে ধরে বিএনপি এই নেতা বলেন, “দশ মাস পার হলেও সরকারের পক্ষ থেকে জনগণ কোনো সুফল পায়নি। দ্রব্যমূল্যের লাগাম টানা যায়নি, জ্বালানির ঘাটতি বেড়েছে, বিদ্যুৎ ও পানির সেবা খাতেও অব্যবস্থা বিদ্যমান।”
বক্তব্যে আলাল হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা স্বৈরাচারী শক্তিকে সরিয়ে না দেওয়া হয়, তাহলে আমরা তাদের পরিচয় তুলে ধরবো। সেই তালিকা থাকবে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে বঙ্গভবন পর্যন্ত বিস্তৃত।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অপরাজেয় বাংলাদেশের সহ-সভাপতি এম এ আজাদ চয়ন। আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো. রহমতুল্লাহ।

মতামত দিন