১৬ জুন গণমাধ্যম নিধন দিবস,শেখ হাসিনাও বাকশালের পথে হেঁটেছেন:তারেক রহমান।
সোমবার (১৬ জুন) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের বদলে একদলীয় বাকশাল কায়েম করে জাতিকে বাকরুদ্ধ করা হয়। সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে মাত্র চারটি পত্রিকা ছাড়া বাকি সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে বিপুল সংখ্যক সংবাদকর্মী কর্মহীন হয়ে পড়েন, যার প্রভাব পড়ে হাজারো পরিবারে।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা—কিন্তু তা ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন।
তারেক রহমান অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা একই দর্শনের অনুসারী হয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করেছেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের মতো কঠোর আইন করে সাংবাদিকদের দমন এবং মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। সত্য উচ্চারণ করলেই গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর নেমে এসেছে নির্যাতন। এতে দেশের সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটিয়েছে।
তিনি বলেন, গত ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর গণমাধ্যমে কিছুটা স্বাধীনতা ফিরলেও এখনও তা ফ্যাসিবাদী প্রভাব থেকে মুক্ত নয়।
বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, “সংবাদপত্রের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের অপরিহার্য ভিত্তি। টেকসই গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে হলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।”
তারেক রহমান তার বক্তব্য শেষ করেন “আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ” উচ্চারণের মধ্য দিয়ে।
মতামত দিন