পুঠিয়ায় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির দুই নেতা আজীবন বহিষ্কৃত।
বুধবার (১১ জুন) জেলা বিএনপির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকার প্রেক্ষিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন জেলা আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম মার্শাল এবং সদস্য সচিব বিশ্বনাথ সরকার।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আনোয়ারুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে নন্দনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ার হোসেন মিমকে বিদ্যালয়ে ঢুকতে বাধা দিচ্ছিলেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনী পর্যন্ত বিষয়টি গড়ায়। পরে জেলা বিএনপি তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। তার জবাব অসন্তোষজনক হওয়ায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অন্যদিকে ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে পুঠিয়ার হাতিনাদা গ্রামে দুই সেনা সদস্যের বাড়িতে চাঁদা না পেয়ে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ওঠে। তিনি ওই সেনা সদস্যদের চাচাতো ভাই। ঘটনাস্থলে জানালার কাচ ভাঙচুর ও আগুন লাগানোর প্রমাণও পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। এ ঘটনায় রফিকুলকে প্রধান আসামি করে থানায় মামলা হলেও এখনও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, হামলার পেছনে রাজনৈতিক বিরোধের পাশাপাশি পারিবারিক শত্রুতাও ভূমিকা রেখেছে। ভুক্তভোগীদের পরিবার দাবি করেছে, তাদের একজন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় চাপ দেওয়া হচ্ছিল।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ বলেন, “বিএনপি একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ দল। কারও ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে—তা সে যেই হোক।”
মতামত দিন