রাজনীতি
ছবি: সংগৃহীত

গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আশাবাদ ব্যক্ত করলেন খালেদা জিয়া।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আজ বৃহস্পতিবার ২৯ মে ২০২৫:

বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, “এই দেশের গণতন্ত্র বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, তবে আমরা খুব শিগগিরই এর পুনঃপ্রতিষ্ঠা দেখতে পাব।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বিকেলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি গুলশানের বাসভবন  ‘ফিরোজা’ থেকে যুক্ত হন।

খালেদা জিয়া বলেন, “গণতন্ত্র, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগীয় স্বচ্ছতা এবং জাতীয় স্বার্থকেন্দ্রিক উন্নয়ন—এসবই ছিল জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি। আজ তার অবর্তমানে সেই পথচলা থমকে গেছে। কিন্তু আমরা সেই অঙ্গীকার ভুলে যাইনি।”

তিনি বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান—“শৃঙ্খলা বজায় রেখে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। কারণ শহীদ জিয়া যে মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক দর্শন রেখে গেছেন, সেটিই দেশের ভবিষ্যতের পথনির্দেশনা।”

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুদিবস স্মরণে খালেদা জিয়া বলেন, “৩০ মে আমাদের জীবনে শুধুই শোকের দিন নয়, এটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গভীর ক্ষত। চট্টগ্রাম, যেখানে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, সেখানেই তাঁকে প্রাণ দিতে হয়। জাতি হারায় এক অভিভাবককে।”

আলোচনা সভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভাপতিত্ব করেন থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সভায় আরও বক্তব্য দেন দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা—স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান।

দীর্ঘদিন পর বিএনপি চেয়ারপারসনের সরাসরি বক্তব্যে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

মতামত দিন