মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস, মিষ্টিমুখ করলেন জামায়াত নেতা আজহার।
ঢাকা,আজ মঙ্গলবার ২৭ মে ২০২৫:
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে খালাস পেয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ মে) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই রায় দেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজহারুল ইসলাম আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন এবং মিষ্টিমুখ করেন। তিনি বলেন, “আমি মৃত্যুদণ্ড মাথায় নিয়েই প্রস্তুত ছিলাম। সবই আল্লাহর হুকুম।”
বিচারপতি রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে আরও ছিলেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম,বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি ইমদাদুল হক, বিচারপতি মো. আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।
আজহারুল ইসলামের পক্ষে আদালতে ছিলেন অ্যাডভোকেট শিশির মনির, ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিক, ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিক এবং ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন। রাষ্ট্রপক্ষে যুক্ত ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম।
রায় ঘোষণার সময় আদালত কক্ষে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা, তাদের মধ্যে ছিলেন নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাসুম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন, মাওলানা আব্দুল হালিম, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন, মাসুদ সাঈদী, মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন এবং সহকারী সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০১৪ সালে জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলামকে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। দীর্ঘ আপিল প্রক্রিয়া শেষে আজকের রায়ে তাকে অভিযোগ থেকে খালাস দেয়া হয়।

মতামত দিন