ব্যবসায়-বাণিজ্য
ছবি: সংগৃহীত

জিবুতিতে শিল্পাঞ্চল গড়ে বিনিয়োগে গেলে খুলতে পারে নতুন রপ্তানি বাজার: সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে প্রচলিত পণ্যের বাইরে নতুন বাজার ও নতুন খাত খোঁজার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, আফ্রিকার জিবুতি এই ক্ষেত্রে হতে পারে সম্ভাবনাময় একটি নতুন গন্তব্য।

সেখানে নিজস্ব অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা গেলে বাংলাদেশি বিনিয়োগ ও রপ্তানিতে নতুন গতি আসতে পারে।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর এক হোটেলে বাংলাদেশ–জিবুতি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব মত উঠে আসে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জিবুতির রাষ্ট্রদূত আবদিল্লাহি আসোয়েহ ইসে।

রাষ্ট্রদূত জানান, জিবুতি ইতোমধ্যেই জাপান, ভারত, কোরিয়া ও ইতালির মতো দেশের বিনিয়োগ আকর্ষণ করেছে। উৎপাদন খরচ তুলনামূলক কম এবং পণ্য পরিবহণে বাড়তি সুবিধা থাকায় এসব দেশ সেখানে সফলভাবে পণ্য উৎপাদন করছে। তার ভাষায়, বাংলাদেশ চাইলে একই সুবিধা তুলে নিয়ে নতুনভাবে আফ্রিকার বাজারে প্রবেশ করতে পারে।

বক্তারা বলেন, পূর্ব আফ্রিকার প্রবেশদ্বার হিসেবে জিবুতির কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার মাঝে অবস্থানের কারণে এটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র। বিশ্বের মোট সমুদ্রবাণিজ্যের একটি বড় অংশ এই দেশ হয়ে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালের দিকে অগ্রসর হয়।

তাদের মতে, জিবুতিতে ওষুধ, পাটজাত পণ্য, সিরামিক, নিটওয়্যার এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারের মতো শিল্প স্থাপনের বাস্তবসম্মত সুযোগ রয়েছে। নিরাপত্তা, ভৌগোলিক অবস্থান এবং অবকাঠামো—সব মিলিয়ে দেশটি বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।

মতামত দিন