ব্যবসায়-বাণিজ্য
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন ট্যারিফে শিপিং খরচ বাড়ছে, আমদানি-রপ্তানিতে পড়বে প্রভাব।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) সম্প্রতি কার্যকর করা বর্ধিত ট্যারিফের পর দেশের শিপিং অপারেটর ও মালিক প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্রেট রেট সমন্বয় করেছে। দেশের একমাত্র সমুদ্রগামী কনটেইনার জাহাজ মালিক এইচআর লাইনস লিমিটেড ফ্রেট চার্জ বৃদ্ধি করেছে।

আন্তর্জাতিক শিপিং কম্পানি ডেনমার্কভিত্তিক মায়েরস্ক লাইনও একই পথে হেঁটেছে।

এইচআর লাইনস জানিয়েছে, ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর নতুন ট্যারিফে পোর্ট ডিউস, পাইলটেজ, বার্থ  দখল ফি, স্টিভিডোরিং, টার্মিনাল হ্যান্ডলিংসহ সব ধরনের ভেসেল ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং চার্জ বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন হার অনুযায়ী, এইচকেভিত্তিক চুক্তির ক্ষেত্রে প্রতিটি পণ্যবোঝাই কনটেইনারে অতিরিক্ত ৩০ ডলার এবং খালি কনটেইনারে ২০ ডলার চার্জ লাগবে। এফআইওভিত্তিক চুক্তির জন্য পণ্যবোঝাই কনটেইনারে অতিরিক্ত ২৫ ডলার এবং খালি কনটেইনারে ১৫ ডলার চার্জ ধার্য হয়েছে।

মায়েরস্ক লাইনও তাদের ২০ ফুট কনটেইনারের টার্মিনাল হ্যান্ডলিং চার্জ ১২০ ডলার থেকে ১৬৫ ডলারে বৃদ্ধি করেছে।

ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন ট্যারিফ এবং শিপিং লাইনসের ফ্রেট বৃদ্ধির কারণে আমদানি-রপ্তানির খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। পোর্ট ইউজার্স ফোরামের আহ্বায়ক আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “গড়ে প্রায় ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি প্রদত্ত নতুন মাশুল ব্যবসার জন্য অশনিসংকেত। অতিরিক্ত খরচ শেষ পর্যন্ত পণ্যের মাধ্যমে সাধারণ ভোক্তাদের ওপরই পড়বে।”

এর আগে ব্যবসায়িক সংগঠনগুলো বর্ধিত ট্যারিফ স্থগিত করে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে যৌক্তিক হার নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে। সিপিএর নতুন মাশুলের কারণে শিপিং খাত ও বাণিজ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় দেশের অবস্থান দুর্বল হতে পারে।

মতামত দিন