ব্যবসায়-বাণিজ্য
ছবি: সংগৃহীত

এইচএস কোড জটিলতা কমাতে এনবিআরের নতুন উদ্যোগ।

নিজেস্ব প্রতিবেদক: 

বাণিজ্যে ব্যবহৃত হারমোনাইজড সিস্টেম (এইচএস) কোড বাংলাদেশে ৮ সংখ্যার কাঠামোযুক্ত — প্রথম চার অঙ্কে পণ্যের সাধারণ শ্রেণি, পরের চারটে পণ্যের আরও নির্দিষ্ট পরিচয় ব্যক্ত করে। তবে ফাস্ট–ফ্যাশনের দ্রুত বদল ও পণ্যের বৈচিত্র্যের কারণে অনেক এবকর কাঁচামাল প্রচলিত কোডের আওতায় না পড়ায় আমদানিকারকরা নিয়মিত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন; খালাস আটকে যায়, ডেলিভারি বিলম্ব হয় এবং বড় অংকের জরিমানা দিতে হচ্ছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সমস্যা কমাতে ৯ সেপ্টেম্বর একটি এসআরও জারি করেছে। নতুন নির্দেশে, কোনো পণ্যের ক্ষেত্রে যদি প্রথম চার অঙ্কে সমতা থাকে—তাহলে খালাস স্বীকৃতি দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া কোনো কাঁচামাল যদি ইতিমধ্যে কোনো এইচএস কোডে না থাকে, সেটিকে কাস্টমস বন্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে যুক্ত করে সর্বোচ্চ দুই কর্মদিবসের মধ্যে ছাড়পত্র প্রদানের প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতে পণ্যের রিলিজ দ্রুত হবে এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডের ঝুঁকি কমবে।

বিকেএমইএ নির্বাহী পরিচালক ফজলে এহসান শামীম বলেন, প্রথম চার অঙ্ক মিললেই খালাস পদ্ধতি প্রয়োগ হলে আমদানির ধীরগতি ও হয়রানি অনেকটা কমবে। বিজিএমইএ পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমান বলেন, আগে একেকটি কোডের কারণে ছোটখাটো জটিলতায় বড় অর্থ খরচ করতে হতো — এখন তা কমবে। অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবীরের মতে, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য বাংলাদেশের ব্যবহারিক এইচএস কোড যেন আন্তর্জাতিক এইচএস স্ট্যান্ডার্ডের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ করা যায়—তা নিশ্চিত করা জরুরি

মতামত দিন