ব্যবসায়-বাণিজ্য
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশি রপ্তানিতে শুল্ক ছাড়, তবে শর্ত পূরণে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত শুল্ক কিছুটা কমিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ১ আগস্ট থেকে ৩৭ শতাংশের পরিবর্তে এখন শুল্ক ২০ শতাংশে নেমেছে।

বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এই ছাড় দেওয়া হলেও, আমদানি বাড়াতে দৃশ্যমান উদ্যোগ না এলে ট্রাম্প প্রশাসন আবারও কঠোর হতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী মহল।

ইতিমধ্যে মার্কিন কোম্পানি বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি বিমান কেনার বিষয়ে আগ্রহ জানিয়েছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি এলএনজি, সয়াবিন, গম ও তুলা আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

বিজিএমইএর পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমানের মতে, “আমরা যদি দেরি করি, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সহজেই শুল্ক বাড়াতে পারে। তাই নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি।”

অর্থনৈতিক নীতিবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সরকারি ক্রয়ে গতিশীলতা আনতে হবে এবং একই সঙ্গে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করতে বিশেষ সুবিধা দিতে হবে। তিনি মনে করেন, প্রতিযোগিতামূলক উৎস থেকে সরে এসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নির্ভরশীল হলে নতুন কৌশল নিতে হবে, নয়তো ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি মাসেই বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মতামত দিন