ফার্স্ট সেল ফ্যাক্টরিও প্রণোদনার আওতায় আসছে।
রফতানিকারকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে বিদেশি বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের দখল আরও মজবুত হবে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, শুল্ক সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সব ধরনের সুযোগ কাজে লাগানো জরুরি। সম্প্রতি মার্কিন বাজারে অতিরিক্ত ৩৭ শতাংশ শুল্ক কয়েক দফা আলোচনার পর কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। এতে ক্রেতাদের ওপর অপ্রত্যাশিত চাপ বাড়ছে এবং ফার্স্ট সেল ব্যবস্থার ওপর ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
ফার্স্ট সেল ব্যবস্থায়, যে প্রতিষ্ঠান পণ্য উৎপাদন করে, সেই প্রতিষ্ঠানই বিক্রির জন্য দায়ী থাকে।সাব-কন্ট্রাক্ট বা ঠিকায় কাজ করা কারখানাগুলো এখন পর্যন্ত ক্রয়াদেশপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে প্রণোদনা পেত। তবে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, এবার এসব সাব-কন্ট্রাক্ট কারখানাকেও ১ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। এখন এই সুপারিশ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
বিকেএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, “মার্কিন ক্রেতারা সুবিধা পেলে অর্ডার বাড়াবে, যা বড় ফার্ম ও সাব-কন্ট্রাক্ট কারখানাগুলোর কার্যক্রম সক্রিয় রাখবে। সুবিধা দুইপাশে পৌঁছাবে।”
বিজিএমইএ পরিচালক রশিদ আহমেদ হোসাইনি উল্লেখ করেন, “চীন ও ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় আমাদের ইউরোপিয়ান ক্রেতাদের হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। সাব-কন্ট্রাক্ট ফ্যাক্টরির জন্য নীতি সহায়তা ১ শতাংশ হবে কি না, তা স্পষ্ট হওয়া দরকার। বাস্তবে যদি ১ শতাংশ হয়, তাহলে এটি আমাদের ব্যবসার জন্য ইতিবাচক হবে।”
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আইনুল ইসলাম বলেন, “ছোট ফার্মগুলো এখন ফার্স্ট সেল সুবিধা পাচ্ছে না। বড় ফার্মের মাধ্যমে তারা রফতানিতে প্রবেশ করলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।”
উল্লেখ্য, বর্তমান নগদ সহায়তার হার ০.৩ শতাংশ। তবে গত বছরও শুরুতে এটি ১ শতাংশ ছিল।

মতামত দিন