চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি প্রতিষ্ঠান হলে দক্ষতা ও আয় বৃদ্ধি পাবে: নৌপরিবহন উপদেষ্টা।
চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালনায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ হলে অপারেশন আরও গতিশীল এবং লাভজনক হবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গত এক বছরের অর্জন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা সাখাওয়াত বলেন, পায়রা বন্দরের অবকাঠামো ও টার্মিনাল নির্মাণ কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামী জুলাই মাসে বন্দরটি পূর্ণ কার্যক্রমে চালু হবে। বিদেশি কোম্পানি অংশগ্রহণ করলে দেশের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং বন্দরের আয়ের পরিমাণও বাড়বে।
তিনি আরও জানান, গত অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ৪ শতাংশ এবং কার্গো হ্যান্ডলিং ৬ শতাংশ বেড়েছে। নৌ মন্ত্রণালয়ের সংস্থাগুলোর মোট রাজস্ব আয় প্রায় ৬ হাজার ৫৭৬ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৯ শতাংশ বেশি।
নৌযানের নথি ও পরিসংখ্যান নিয়ে নৌশুমারির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১২৫ বছরের পুরনো স্টিমার পিএস মাহসুদ চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মিঠামইন প্রকল্পসহ কিছু প্রকল্প পুনর্ব্যবহারের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। ড. সাখাওয়াত উল্লেখ করেন, “এই ধরনের উদাহরণ অন্যান্য মন্ত্রণালয়েও দেখা যায়।”

মতামত দিন