বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে নেপালে একদিনে প্রায় ৬০০ টন পাট ও ৮০ টনের বেশি আলু রফতানি।
পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম জমে উঠেছে। ভারতের সঙ্গে পেঁয়াজ আমদানির পাশাপাশি নেপালে নিয়মিত যাচ্ছে বাংলাদেশি কৃষিপণ্য।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন পাট রফতানি করেছে মেসার্স আব্দুল করিম এন্টারপ্রাইজ, রাসেলএন্টারপ্রাইজ, তাসফিয়া জুট ট্রেডিং, বালাজি এন্টারপ্রাইজ, সুবল কুমার সরকার, আসিবা জুট ইন্টারন্যাশনাল, ম্যাক্সি জুট ও বগুড়া জুট মিল লিমিটেডসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান।
এর ফলে চালু হওয়ার পর থেকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে নেপালে মোট ১৮ হাজার ৬৪৩ মেট্রিক টন পাট রফতানি হয়েছে। একইভাবে আলু রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টনে, যার মধ্যে সর্বশেষ চালান ৮৪ টন।
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের কোয়ারেন্টিন পরিদর্শক উজ্জল হোসেন বলেন, প্রতিটি চালান আমরা পরীক্ষা করি যাতে মান ও নিরাপত্তা বজায় থাকে। কৃষিপণ্য সঠিকভাবে পৌঁছানোই আমাদের অগ্রাধিকার।
বাংলাবান্ধা আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের আহ্বায়ক রেজাউল করিম শাহীন বলেন, নেপালের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে এই স্থলবন্দর কার্যকর ভূমিকা রাখছে। তার মতে, যদি সরকারের পক্ষ থেকে আরও সহযোগিতা মেলে,তবে রফতানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।
বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের ম্যানেজার আবুল কালাম আজাদ জানান, বর্তমানে এই বন্দর চার দেশের বাণিজ্যিক যোগাযোগের একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। তিনি বলেন, প্রতিদিনই রফতানি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হয়, যাতে ব্যবসায়ীরা বাধাহীনভাবে কাজ করতে পারেন।
স্থলবন্দরের সঙ্গে যুক্তরা আশা প্রকাশ করেছেন, আগামীর দিনগুলোতে এখানকার রফতানি কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে এবং এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে আঞ্চলিক অর্থনীতিতে।
মতামত দিন