হিলি স্থলবন্দরে চাল আমদানি: শুল্ক জটিলতায় চাল খালাস করতে পারছে না আমদানিকারকরা।
হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে আমদানি হওয়া চাল শুল্ক সংক্রান্ত জটিলতার কারণে খালাস করতে পারছে না আমদানিকারকরা। ফলে গত চারদিনে প্রায় ২ হাজার ৭৮১ মেট্রিক টন চাল বন্দরে আটকে আছে।
হিলি বন্দরের আমদানিকারক বলেন, “সরকার বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানির অনুমতি দিয়েছে। তবে উচ্চ শুল্কের কারণে ব্যবসায়ীরা চাল খালাসে ঝুঁকছেন না। প্রতিদিন কাস্টমসে খোঁজ নেওয়া হলেও কোনো সমাধান আসছে না।”
বন্দর এলাকার আমদানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল জানান, “কাস্টমসের সার্ভারে বর্তমান শুল্ক ৬৩.২৫ শতাংশ দেখাচ্ছে। এই হারে চাল ছাড়লে প্রতি কেজিতে প্রায় ৪০ টাকা ডিউটি পড়বে। এতে প্রতি কেজির খরচ ৯৫ টাকার উপরে চলে যাবে। তাই ব্যবসায়ীরা খালাস করতে পারছেন না।”
হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেন, “এখনো শুল্ক কমানো বা পরিবর্তনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তিন দিনে ৬১ ট্রাকে ২ হাজার ৬৮১ মেট্রিক টন চাল এসেছে। কেউ এখনো বিল অব এন্ট্রি জমা দেননি। যারা খালাস করতে চাইবেন, তাদের প্রদর্শিত শুল্ক অনুযায়ী চাল ছাড় করতে হবে।”
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে চাল আমদানি শুরু হলেও তা ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ছিল। আবার ১২ আগস্ট থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি পুনরায় শুরু হয়েছে।
মতামত দিন