চট্টগ্রাম বন্দরে ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য খালাসে পরিবর্তন, অফডকে ডেলিভারি বাধ্যতামূলক।
চট্টগ্রাম কাস্টমসকে পাঠানো চিঠিতে এনবিআর জানায়, এসব দাহ্য ও রাসায়নিক পণ্য বন্দরে দীর্ঘ সময় পড়ে থাকায় অগ্নিকাণ্ডসহ নানাবিধ ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই এগুলো দ্রুত ছাড় করার জন্য অফডকে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, পৃথিবীর কোথাও বন্দর এলাকায় কনটেইনার খুলে পণ্য খালাসের নিয়ম নেই, অথচ চট্টগ্রামে এ চর্চা চলে আসছে। ঝুঁকি কমাতে তারা এখন বিকল্প চিন্তা করছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, বন্দর থেকে অফডকে ডেলিভারি বাড়লেও অধিকাংশ অফডকে যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো যথেষ্ট নয়। অনেক জায়গায় জায়গার সংকটও রয়েছে। কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, প্রস্তুতি না নিয়ে একের পর এক পণ্য পাঠানো হলে আমদানিকারকরা সমস্যায় পড়বেন।
এদিকে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দর কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড গড়েছে। ২১টি অফডকে ৭ লাখ ৭৭ হাজার রফতানি ও ২ লাখ ৬৫ হাজার আমদানি কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে।
অফডক অ্যাসোসিয়েশন (বিকডা) জানায়, বর্তমানে তারা ২৫ শতাংশ সক্ষমতা ব্যবহার করছে। আরও ১২ পণ্য যুক্ত হওয়ায় এই হার বেড়ে প্রায় ৪০ শতাংশে পৌঁছাবে। তাদের মতে, পণ্য দ্রুত ছাড় হলে রফতানিও বাড়বে, বন্দরেও চাপ কমবে।
মতামত দিন