কার্গো ভিলেজে বারান্দায় পানি, আকাশের নিচে পণ্য, দায় নিচ্ছে না কেউ।
কার্গো ভিলেজের বারান্দায় পানি জমে থাকে, ভিতরে জায়গা নেই—তাই খোলা রোদে, কখনও বা ঝড়বৃষ্টিতে পণ্যের উপর দিয়ে যাচ্ছে সময়। কেউ দায় নিচ্ছে না। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, সমস্যা আছে ঠিকই, তবে সমাধান আসছে—তৃতীয় টার্মিনালের সঙ্গে নতুন কার্গো ভিলেজ চালু হলে স্বস্তি মিলবে। কিন্তু সেটি হতে লাগবে অন্তত আরও এক বছর।
বিমানের বক্তব্য, সমস্যা আমদানিকারকের গাফিলতিতে
বাংলাদেশ বিমানের কার্গো বিভাগের কর্মকর্তারা অবশ্য বলছেন, তাদের সেবা এখন ২৪ ঘণ্টা খোলা, কিন্তু আমদানিকারকরাই পণ্য খালাসে ঢিলেমি করেন। তারা যদি সময়মতো পণ্য ছাড় করান, তাহলে জট কমবে। তবে সিএন্ডএফ প্রতিনিধিরা এই যুক্তি মানতে নারাজ। তাদের অভিযোগ, কাস্টমস, কাগজপত্রের ধীর গতি, সমন্বয়হীনতা আর অব্যবস্থাপনাই খালাসে মূল প্রতিবন্ধকতা।
সরকার বদলালেও বদলায় না দুর্দশা
দীর্ঘদিন ধরে একই সমস্যা। এক সরকারের পর আরেক সরকার এলেও,বদলায়নি শাহজালাল বিমানবন্দরের আমদানি কার্গোর বাস্তবতা। কয়েক দশকের পুরনো পরিসর দিয়ে চলছে দিন। পণ্যের পরিমাণ কয়েকগুণ বাড়লেও বাড়েনি গুদামের জায়গা। ফলে সবকিছু গাদাগাদি করে রাখতে হয়, যার একটি অংশ বিমানবন্দরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সমাধান কবে?
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তৃতীয় টার্মিনালের অধীনে নির্মাণাধীন নতুন আমদানি কার্গো ভিলেজেই থাকছে এই সমস্যার সমাধান। তবে সেটি পুরোপুরি চালু হতে এক বছর লেগে যাবে। তার আগ পর্যন্ত, বন্দরের সামান্য জায়গা আর বিশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়েই পণ্য খালাস চালিয়ে যেতে হবে ব্যবসায়ীদের।
মতামত দিন