রপ্তানিতে আগের মতোই নগদ সহায়তা বহাল, হার অপরিবর্তিত।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে জারি করা এক সার্কুলারে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। তাতে বলা হয়, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত যেসব রপ্তানি হবে, সেগুলোর বিপরীতে এই সহায়তা প্রযোজ্য হবে।
নির্ধারিত পণ্য রপ্তানির বিপরীতে রপ্তানিকারকেরা আগের মতোই সর্বনিম্ন ০.৩০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা পাবেন। তবে সহায়তা পাওয়ার জন্য নিরীক্ষার বাধ্যবাধকতা থাকছে। অনুমোদিত বহিঃনিরীক্ষকের মাধ্যমে রপ্তানির হিসাব যাচাই করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, ‘সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগের হারেই প্রণোদনা বহাল রাখা হয়েছে। গত অর্থবছর যেসব খাতে সহায়তা কমানো হয়েছিল, এবার তা অপরিবর্তিত থাকবে।’
কোন পণ্যে কত সহায়তা?
রপ্তানি সহায়তার সবচেয়ে বড় অংশ এখনও পাচ্ছে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাত। দেশি সুতা দিয়ে তৈরি পোশাক নতুন বাজারে রপ্তানি করলে ৫.৯ শতাংশ প্রণোদনা মিলবে—যা আগে ছিল ৯.১ শতাংশ।
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ এবং ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদারে সহায়তা ৬ শতাংশ।
প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা বহাল থাকবে।
পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্যপূর্ণ পণ্যে ১০ শতাংশ, পাটজাত পণ্যে ৫ শতাংশ এবং পাট সুতা রপ্তানিতে ৩ শতাংশ সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
এ ছাড়া হালকা প্রকৌশল পণ্যে ১০ শতাংশ, ওষুধের কাঁচামালে ৫ শতাংশ, আসবাব রপ্তানিতে ৮ শতাংশ ও বাইসাইকেলে ৩ শতাংশ সহায়তা দেওয়া হবে।
হিমায়িত চিংড়ি, ইলেকট্রনিকস, পেট বোতল ফ্লেক্স, মোটরসাইকেল, জাহাজ, প্লাস্টিক পণ্য, হাতে তৈরি হোগলা বা নারকেলের ছোবড়া জাতীয় পণ্য, ঝুট, গরু-মহিষের শিং ও নাড়িভুঁড়ি, কাঁকড়া, আগর, আঁতরসহ আরও বেশ কিছু পণ্যের ক্ষেত্রেও আগের হারেই প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে।
মতামত দিন