আদানিকে ৩৩৬ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করল বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) বিদ্যুৎ বিভাগ নিশ্চিত করেছে, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত ভর্তুকি ও বিদ্যুৎ বিল আদায়ের মাধ্যমে এই বকেয়া পরিশোধ করা হয়েছে। পাওয়ার ডিভিশনের সচিব ফারজানা মমতাজ বলেন, “আদানিকে বকেয়া অর্থ মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে, উৎপাদন এখন চালু রাখতে ঝুঁকি নেই। তবে কয়লার দামে এখনও মতবিরোধ রয়েছে।”
এদিকে আদানি পাওয়ার নিশ্চিত করেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পেয়ে তারা প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার সারচার্জ মওকুফ করেছে। আগেই শর্ত ছিল, ৩০ জুনের মধ্যে পরিশোধ না হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হতে পারে।
এর আগে ১৭ জুন আদানির পক্ষ থেকে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে পাঠানো চিঠিতে দ্রুত বকেয়া পরিশোধের আহ্বান জানানো হয়েছিল। এতে বলা হয়, গড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রে অর্থ না পৌঁছালে উৎপাদন ব্যাহত হয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ সংকটে পড়তে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিশোধ কেবল একটি অস্থায়ী সমাধান। ডলার সংকট ও বৈশ্বিক জ্বালানি দামের ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষাপটে ব্যয়বহুল আমদানি নির্ভরতা ভবিষ্যতে অর্থনীতির ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক বিদ্যুৎচুক্তি নিয়ে নতুন সমঝোতার সুযোগ সীমিত। ফলে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের সমন্বয় ও কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া টেকসই সমাধান এখনও অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
মতামত দিন