বহু বছর ধরে একাধিক জটিল রোগে ভুগছেন সালমান খান।
সালমান খান জানান, তিনি বহু বছর ধরে ভুগছেন ট্রাইগেমিনাল নিউরালজিয়া, অ্যানিউরিজম এবং এভি ম্যালফরমেশন নামক গুরুতর অসুখে। তবুও তিনি কাজ করে যাচ্ছেন একনাগাড়ে, বিরতি ছাড়াই।
তার ভাষায়, “অসুখ থাকবেই, কিন্তু বলিউডে টিকে থাকতে হলে রোজ হাড় ভাঙা পরিশ্রম করতে হয়। পেশী ছিঁড়েও যাচ্ছে, কিন্তু কাজ থেমে নেই। মাথায় অ্যানিউরিজম, মুখে নিউরালজিয়া, শরীরে এভি ম্যালফরমেশন—সব নিয়েই ছুটে চলছি।”
সালমান আরও বলেন, তার জীবনে এমন নানা রকমের জটিলতা থাকলেও তিনি কখনো দমে যাননি। বরং কঠোর অনুশীলন আর মানসিক শক্তিতেই এগিয়ে যাচ্ছেন। তার মতে, মানসিক চাপ বাড়লে শারীরিক সমস্যাও বাড়ে। তাই তিনি নিজেকে যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন।
উল্লেখ্য, সালমান খান ২০১৭ সালেও ট্রাইগেমিনাল নিউরালজিয়া নিয়ে কথা বলেছিলেন। এই রোগকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে ‘সুইসাইড ডিজিজ’ নামেও ডাকা হয়, কারণ এর যন্ত্রণা এতটাই তীব্র হয় যে রোগী আত্মহত্যার প্রবণতায় ভুগতে পারেন। মুখমণ্ডলে এই রোগের ব্যথা বিশেষভাবে তীব্র হয়।
অন্যদিকে অ্যানিউরিজম হচ্ছে মস্তিষ্কের রক্তনালীর দুর্বল হয়ে ফেঁপে ওঠা, যা যেকোনো সময় মারাত্মক বিপদের কারণ হতে পারে। আর এভি ম্যালফরমেশন হচ্ছে শিরা ও ধমনী সংযুক্তির এক অস্বাভাবিকতা, যা মস্তিষ্কসহ শরীরের যেকোনো স্থানে হতে পারে।
সালমান খানের এই সাহসী ও অনুপ্রেরণাদায়ী মনোভাব বলিউডে তার দীর্ঘদিনের অবস্থান এবং জনপ্রিয়তার একটি বড় কারণ বলেই মনে করছেন অনেকে। কাজ ও সংকল্পই যেন তার জীবনের মূল চালিকাশাঠি।

মতামত দিন