প্রেমিকের ছুরিকাঘাতে মডেল সিম্মির মর্মান্তিক মৃত্যু।
২৩ বছর বয়সী এই মডেল গত শনিবার রাতেই শুটিংয়ে অংশ নিতে পানিপাতের আহার গ্রামে যান। সেখানেই কথা-কাটাকাটির জেরে সুনীল তাকে বেধড়ক মারধর করে এবং একাধিকবার ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এরপর সিম্মির মরদেহ নিজ গাড়িসহ খালে ফেলে দেন অভিযুক্ত।
ঘটনার দিন রাত দেড়টার দিকে শীতল ভিডিও কলে তার বোন নেহাকে জানান, সুনীল তাকে মারধর করেছে। এরপরই তার ফোন বন্ধ হয়ে যায় এবং আর যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। বোনের পক্ষ থেকে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করা হয়।
রবিবার পুলিশ সোনিপাত জেলার একটি খাল থেকে সুনীলের গাড়ি উদ্ধার করে। গাড়িতে সিম্মির কোনো চিহ্ন না থাকলেও, সুনীল দাবি করেন গাড়ি দুর্ঘটনাক্রমে পানিতে পড়ে যায় এবং সিম্মি সাঁতার না জানায় ডুবে যায়। তিনি নিজে সাঁতরে উঠতে পারলেও হাসপাতালে ভর্তি হন।
পরদিন সোমবার খারখোদার রিলায়েন্স খাল থেকে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হাতে ও বুকে উল্কি দেখে তাকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। মরদেহে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল।
জিজ্ঞাসাবাদে সুনীল স্বীকার করে, প্রেমিকাকে সে-ই হত্যা করেছে। পুলিশ জানায়, সুনীল বিবাহিত এবং দুই সন্তানের বাবা। বিয়ের প্রস্তাব দিলেও শীতল তা প্রত্যাখ্যান করেন এই তথ্য জানার পর। জানা গেছে, মডেল শীতল নিজেও বিবাহিত ছিলেন এবং তার পাঁচ মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।
তবে শুটিংয়ে যাওয়ার সময় সিম্মি কাদের সঙ্গে ছিলেন বা কী ধরনের কাজ হচ্ছিল তা এখনো নিশ্চিত নয়।
মতামত দিন