জ্যৈষ্ঠের আকাশে মহাজাগতিক চমক: খালি চোখেই দেখা যাবে মঙ্গল, শনি ও নেপচুন।
জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরু থেকে দেশের আকাশ পরিষ্কার থাকায় সন্ধ্যার পর সহজেই দেখা যাচ্ছে নানা গ্রহ-নক্ষত্র ও তারামণ্ডল। বিশেষ করে মধ্যরাতের আকাশ রঙিন ও উজ্জ্বল থাকায় খালি চোখে কিংবা ছোট টেলিস্কোপ ও বাইনোকুলার ব্যবহার করেও আগ্রহীরা উপভোগ করতে পারছেন মহাকাশের চমক।
১৮ মে:
সন্ধ্যার পর পশ্চিম আকাশে ৬৩ ডিগ্রি উচ্চতায় মঙ্গল গ্রহ পরিষ্কারভাবে দেখা যাবে। রাত ১১টা ৫৪ মিনিটে গ্রহটি দিগন্তে অস্ত যাবে। একই দিনে ইউরেনাস সৌরজগতের প্রান্তে অবস্থান করবে।
১৯ মে:
রাত ৯টা ১৩ মিনিট থেকে আকাশে দেখা যাবে এম৭ তারামণ্ডল। পাশাপাশি সন্ধ্যার আকাশে দেখা যাবে এনজিসি ৫১২৮, এম৮৩ ও এম৯৪।
২০ মে:গ্লোবুলার ক্লাস্টার এম২২, এম৪, এম১২ ও এম১৫ দৃশ্যমান থাকবে সন্ধ্যার পর।
২১ মে:সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত আকাশে দেখা যাবে এম৮৩ ও এম১০১।
২২ মে:মঙ্গল ও বৃহস্পতি—দুই গ্রহই এদিন সন্ধ্যায় স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান থাকবে।
২৩ মে:মধ্যরাতে চাঁদ ও শনি গ্রহ থাকবে প্রায় কাছাকাছি অবস্থানে।
২৪ মে:চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহ একে অপরের সবচেয়ে নিকটবর্তী অবস্থানে থাকবে।
২৫ মে:রাত ১টা ৫২ মিনিটে আকাশে দেখা যাবে নেপচুন গ্রহ।
২৬ মে:চাঁদ থাকবে পেরিজি অবস্থানে, ফলে সাধারণের তুলনায় এটি বড় ও উজ্জ্বল দেখাবে।
২৭ মে:রাত ৮টার পর দেখা যাবে এম৭ ও এম৬ ওপেন ক্লাস্টার তারামণ্ডল।
২৮ মে:সন্ধ্যায় স্পষ্টভাবে দেখা যাবে এম৪ তারামণ্ডল।
২৯ মে:মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত শনি গ্রহ থাকবে আকাশে।
৩০ মে:মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত দেখা যাবে নেপচুন।
৩১ মে:বুধ গ্রহ এদিন সূর্যের সবচেয়ে কাছের বিন্দু—পেরিহেলিয়নে থাকবে, যা ঘটে প্রতি ৮৮ দিনে একবার।
এই সব মহাজাগতিক দৃশ্য পর্যবেক্ষণের জন্য খুব বেশি যন্ত্রপাতির প্রয়োজন নেই। খালি চোখে বা সাধারণ বাইনোকুলার দিয়েই উপভোগ করা যাবে জ্যৈষ্ঠের আকাশের এই দুর্লভ সৌন্দর্য।
সূত্র: বিবিসি স্কাই অ্যাট নাইট ম্যাগাজিন, অ্যাস্ট্রোনমি, স্কাই অ্যান্ড টেলিস্কোপ, ইন দ্য স্কাই, স্কাই ম্যাপস
মতামত দিন