বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
ছবি: সংগৃহীত

মহাবিশ্বের আদিম কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে চাঞ্চল্যকর ভবিষ্যদ্বাণী।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

মহাবিশ্বের রহস্যময় বস্তুগুলোর মধ্যে কৃষ্ণগহ্বর দীর্ঘদিন ধরেই বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু।সাম্প্রতিক এক গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অ্যামহার্স্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী দাবি করেছেন, মহাবিশ্ব সৃষ্টির শুরুর দিকে তৈরি হওয়া একটি প্রাচীন কৃষ্ণগহ্বর ২০৩৫ সালের মধ্যেই বিস্ফোরিত হতে পারে।

তাঁদের মতে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বিস্ফোরণের সম্ভাবনা প্রায় ৯০ শতাংশ।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই কৃষ্ণগহ্বরকে “আদিম কৃষ্ণগহ্বর” হিসেবে ধরা হচ্ছে। পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং ১৯৭০ সালের দিকে প্রথম এ ধরনের বস্তু থাকার কথা তাত্ত্বিকভাবে বলেছিলেন। হকিং রেডিয়েশনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে কৃষ্ণগহ্বরের ভর বিকিরণে পরিণত হয়ে শেষপর্যন্ত বিস্ফোরণে রূপ নেবে—এমন ধারণাই তাঁদের বিশ্লেষণে প্রতিফলিত হয়েছে।

যদি সত্যিই এই বিস্ফোরণ ঘটে, তবে অজানা কণাসহ পদার্থবিজ্ঞানের বহু অজানা তথ্য সামনে আসতে পারে বলে ধারণা বিজ্ঞানীদের। গবেষণায় জড়িত বিজ্ঞানী মাইকেল বেকার সতর্ক করে বলেছেন, “আমরা নিশ্চিত করছি না যে বিস্ফোরণ এখনই ঘটবে। তবে ঘটনাটি ঘটার মতো পরিস্থিতির জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকা দরকার।”

বিজ্ঞানীরা পর্যবেক্ষণের জন্য নতুন এক পদ্ধতি, ডার্ক-চার্জ মডেল, ব্যবহার করার প্রস্তাব দিয়েছেন। সাধারণভাবে কৃষ্ণগহ্বর কোনো চার্জ বহন করে না। তবে তাঁদের অনুমান—যদি কোনো আদিম কৃষ্ণগহ্বর ক্ষুদ্র অন্ধকার বৈদ্যুতিক চার্জসহ তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে বিস্ফোরণের আগে সেটি সাময়িকভাবে স্থিতিশীল থাকতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি

মতামত দিন