বিপর্যয়ের মুখে অ্যান্টার্কটিকার বরফস্তর, উপকূলীয় শহর ডোবার ঝুঁকি।
অ্যান্টার্কটিকার পশ্চিমাঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত বিশাল বরফস্তরে ধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রায় ৭ লাখ ৬০ হাজার বর্গমাইল এলাকাজুড়ে থাকা এই বরফস্তর দুর্বল হয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধির কারণে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক নেরিলি আব্রাম জানান, অ্যান্টার্কটিকার বরফ, মহাসাগর ও বাস্তুতন্ত্রজুড়ে ইতোমধ্যেই দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা প্রতিটি ডিগ্রি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ এই বরফস্তর দ্রুত বিপর্যয়ের দিকে এগোচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বরফ গলে গেলে দক্ষিণ মহাসাগরে গভীর স্রোতের উষ্ণায়ন শুরু হবে, যা মহাদেশজুড়ে ভয়াবহ প্রভাব ফেলবে।
অধ্যাপক ম্যাথিউ ইংল্যান্ড বলেন, এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়বে অ্যান্টার্কটিকার প্রাণীকুল ও সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রে। সমুদ্রের বরফ হারাতে থাকলে এম্পেরর পেঙ্গুইন বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়বে। কারণ, তাদের ছানারা জলরোধী পালক গজানোর আগে স্থিতিশীল বরফের ওপর নির্ভর করে থাকে। বরফ ভেঙে গেলে তাদের বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে যাবে।
ক্লাইমেট সেন্ট্রালের তথ্য অনুযায়ী, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা তিন মিটার বাড়লে বাংলাদেশসহ বঙ্গোপসাগরসংলগ্ন দেশ ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডের উপকূলীয় শহরগুলোও ডুবে যাওয়ার মুখে পড়বে।

সূত্র: ডেইলি মেইল
মতামত দিন