বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
ছবি: সংগৃহীত

ওয়াই-ফাই: সুবিধা যেমন অনেক, তেমনি কিছু সতর্কতার প্রয়োজনও।

আধুনিক ডিজিটাল যুগে ইন্টারনেট সংযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রযুক্তি হলো ওয়াই-ফাই। এর মাধ্যমে দ্রুত গতি, বহুমাত্রিক সংযোগ এবং তারবিহীন সুবিধা পাওয়া যায়।

একাধিক ডিভাইসে একসঙ্গে সংযোগ, সাশ্রয়ী খরচ এবং সহজ ব্যবহারযোগ্যতার কারণে এটি আজ ঘরে-বাইরে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে।

তবে এর ক্ষতিকর দিক নিয়েও কিছু মতামত রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) সহ বিভিন্ন সংস্থা জানিয়েছে, মাথার কাছে রাউটার চালু রেখে ঘুমালে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গের প্রভাবে অনিদ্রা বা মাথাব্যথা হতে পারে। যদিও ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ’ এবং ব্রিটেনের ক্যানসার রিসার্চ সেন্টারের মতে, ওয়াই-ফাই তরঙ্গের কম্পাঙ্ক খুবই কম এবং এটি শরীরের জন্য তেমন ক্ষতিকর নয়।

ভারতের হায়দরাবাদে গ্লেনিগলস হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. হিরণ রেড্ডিও বলেন, ওয়াই-ফাইয়ের রেডিয়েশন ‘নন-আয়নাইজিং’ ধরনের, যা মানবদেহের জন্য বিপজ্জনক নয়। তবে যারা অতিসংবেদনশীল, তাদের ক্ষেত্রে কিছু সাময়িক উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

ওয়াই-ফাইয়ের সুবিধা:

১,একাধিক ডিভাইসে সংযোগের সুবিধা

২,দ্রুত স্পিড ও তারহীন ব্যবহার

৩,সহজেই পাওয়া যায় এবং সহজে স্থাপনযোগ্য

৪,ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য কার্যকর

৫,বাস, কফিশপ, ট্রেনসহ বিভিন্ন জায়গায় ইন্টারনেট ব্যবহারযোগ্য

অসুবিধা:

১,অতিরিক্ত সংযোগে স্পিড কমে যায়

২,হ্যাকিং বা নিরাপত্তা ঝুঁকি

৩,সীমিত পরিসরে কাজ করে

৪,অতিরিক্ত রেডিয়েশন নিয়ে বিতর্ক

৫,গর্ভবতী নারী ও কিছু ব্যবহাকারীর জন্য সাবধানতা জরুরি

সবশেষে বলা যায়, ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি যতটা উপকারী, ততটাই সচেতনভাবে ব্যবহার করাও জরুরি।নিরাপদ ব্যবস্থাপনা ও সীমিত ব্যবহারে এটির ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।

মতামত দিন