শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কার্যক্রমে ১০ দফা নির্দেশনা জারি।
১. প্রশিক্ষণের শিরোনাম – “বৈজ্ঞানিক জীবনধারা উন্নয়ন ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা”।
২. বাস্তবায়ন – মাউশি ও কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে, মাধ্যমিক পর্যায়ের সব প্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি নিজ নিজ ভেন্যুতে বিনামূল্যে পরিচালনা করবে।
৩. প্রশিক্ষণ আয়োজন – প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের নির্ধারিত স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় করে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য একদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ আয়োজন করবেন।
৪. মনিটরিং পুল – প্রশিক্ষণ শেষে দৈনিক অনুশীলন কার্যক্রমের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করবে।
৫. বাস্তবায়ন নির্দেশনা – ম্যানুয়ালের পরিশিষ্ট-২ অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিং সেবা এবং অন্যান্য নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করে দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
৬. স্বতন্ত্র সীমাবদ্ধতা – মনিটরিং পুলের কার্যক্রম ম্যানুয়াল ও নির্দেশিকা অনুযায়ী সীমাবদ্ধ থাকবে; এ থেকে বাইরের কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া যাবে না।
৭. নতুন শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ – প্রতি বছর নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণ আয়োজন নিশ্চিত করা হবে। বড় সংখ্যক শিক্ষার্থী থাকলে ব্যাচে ভাগ করে প্রশিক্ষণ দেয়া যেতে পারে।
৮. অভিভাবকদের অংশগ্রহণ – প্রয়োজন হলে শিক্ষার্থীদের অভিভাবককেও প্রশিক্ষণের আওতায় আনা যেতে পারে।
৯. সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সমন্বয় – প্রতিটি প্রতিষ্ঠান প্রধান স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তাদের সহায়তায় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। প্রয়োজন হলে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কো-অর্ডিনেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে (যোগাযোগ : ০১৮৯২০০৯৯১৪, ই-মেইল: totalfitness@quantummethod.org.bd)।
১০. স্বেচ্ছাসেবক সহায়তা – প্রশিক্ষণ ও পরবর্তী অনুশীলনের মনিটরিংয়ে বাংলাদেশ স্কাউটসের সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যুক্ত থাকবেন।
মতামত দিন