জাতীয়
ছবি: সংগৃহীত

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হতে পারে যে জেলা থেকে।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির তালিকায় শীর্ষে থাকা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি মাঠে নামাতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। আজ সোমবার দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে।

উদ্যোগটির অগ্রগতি সরাসরি তদারকি করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সরকারি সূত্র বলছে, প্রথম ধাপে দেশের আট বিভাগের আটটি উপজেলায় পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালু হবে। তবে সূচনা হবে ঢাকার বাইরে একটি জেলা দিয়ে। প্রশাসনিক পর্যায়ে আলোচনা অনুযায়ী, বগুড়াকে কেন্দ্র করেই পাইলট বিতরণ শুরু করার প্রস্তুতি এগিয়েছে।

কর্মসূচির রূপরেখা প্রণয়ন, উপকারভোগী চিহ্নিতকরণ ও বাস্তবায়ন কাঠামো নির্ধারণে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি কাজ সম্পন্ন করেছে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে কার্ডের নকশা, যাচাইপ্রক্রিয়া ও অর্থ বিতরণ পদ্ধতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। লক্ষ্য—আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই প্রথম ধাপের সহায়তা বিতরণ শুরু।

মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী, দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারকে নিয়মিত নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে সরাসরি অর্থ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে, যাতে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নারীর ভূমিকা শক্তিশালী হয়।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়-এর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদ্যমান সামাজিক ভাতার তুলনায় এই কর্মসূচিতে সহায়তার অঙ্ক বেশি রাখার চিন্তা রয়েছে। একই সঙ্গে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভিত্তিক একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি হবে, যেখানে প্রতিটি উপকারভোগী পরিবারের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। এর মাধ্যমে ভুয়া তালিকা, অনিয়ম ও মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ সীমিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

পাইলট পর্যায়ের ফলাফল মূল্যায়ন করে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।

মতামত দিন