ভিসা জটিলতায় অনিশ্চয়তায় সাড়ে ১৯ হাজার বাংলাদেশী হজযাত্রী।
সৌদি অংশের কারিগরি জটিলতার কারণে এখনও ভিসা পাননি বাংলাদেশের সাড়ে ১৯ হাজারেরও বেশি হজযাত্রী। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে সৌদি হজ মন্ত্রণালয়ে ডিও (ডেমি অফিসিয়াল) লেটার পাঠানো হয়েছে, তবে হজ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তা যথেষ্ট নয়।
বুধবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল এক দম্পতির। কিন্তু শেষ মুহূর্তে স্বামীর ভিসা জটিলতার কারণে থেমে যায় তাঁদের বহু প্রতীক্ষিত যাত্রা। শুধু তারাই নন, ভিসা ও ফ্লাইট নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন আরও বহু হজযাত্রী।
অন্যদিকে, হজযাত্রার দ্বিতীয় দিনে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে নির্বিঘ্নে রওনা হয়েছেন বহু হজযাত্রী। আজ (৩০ এপ্রিল) সর্বোচ্চ ১৩টি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। হজ অফিস সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ১২টি ফ্লাইটে ছয় হাজারেরও বেশি যাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।
চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৭ হাজার ১০০ হজযাত্রী পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাবেন। তাঁদের পরিবহনের জন্য বাংলাদেশ বিমান, সৌদি এয়ারলাইন্স ও ফ্লাইনাস এই তিনটি এয়ারলাইন্স মোট ২৩৪টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
সরকারি পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সৌদি হজ মন্ত্রণালয়ের সফটওয়্যার হালনাগাদের সময় তথ্যগত গড়মিলের কারণে এই ভিসা জটিলতা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সমাধানে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন বলেন, “ভিসা জট নিরসনে কাজ চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব দ্রুত এর সমাধান হবে।”
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ হজযাত্রী ও হাজী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি ড. আব্দুল্লাহ আল নাসের বলেন, “হজযাত্রার শেষ সময়ে এসে যাতে নতুন কোনো জটিলতা তৈরি না হয়, সে জন্য সৌদি সরকারের কাছ থেকে অন্তত ২০টি অতিরিক্ত স্লট সংগ্রহ করা জরুরি।”

মতামত দিন