খেলা-ধুলা
ছবি: সংগৃহীত

চিলিকে হারিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত, তরুণ মাস্তান্তুয়োনোর অভিষেকে উচ্ছ্বসিত স্কালোনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চিলিকে ১-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা।তবে জয় পেয়েও প্রতিপক্ষের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন আলবিসেলেস্তে কোচ লিওনেল স্কালোনি।
ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে চিলির দ্বিতীয়ার্ধের দাপট ও লড়াকু মানসিকতাকে কৃতিত্ব দিয়েছেন তিনি।

স্কালোনি বলেন, “চিলি সবসময়ই কঠিন প্রতিপক্ষ। দ্বিতীয়ার্ধে তারা আমাদের চাপে ফেলেছিল। তারা বেশ কয়েকবার গোলের কাছাকাছি গিয়েছিল। যদিও পাল্টা আক্রমণে ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু সফল হইনি। ফুটবলে এমনটাই হয়।”

তিনি জানান, আর্জেন্টিনার রক্ষণাত্মক খেলার পেছনে কোনো পরিকল্পনা ছিল না। বরং চিলির দাপটেই দলকে সেভাবে খেলতে হয়েছে। “প্রথমার্ধে আমরা ভালো খেলেছি,কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেছে চিলি,”—যোগ করেন স্কালোনি।

এই ম্যাচেই ১৭ বছর ২৯৫ দিন বয়সে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তুলে ইতিহাস গড়েছেন রিভার প্লেটের মিডফিল্ডার ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুয়োনো। আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হলো তারই। তরুণ এই ফুটবলারকে নিয়ে স্কালোনি বলেন, “ওর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। আমরা চেয়েছি ধীরে ধীরে তাকে গড়ে তুলতে। খুব বেশি কিছু না বলে আমি শুধু বলেছিলাম—‘ডান দিকে যাও।’ তরুণদের নিয়ে কাজ করার সময় ধৈর্য ধরতে হয়।”

লিওনেল মেসিকে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামানোর পরিকল্পনার কথাও জানান স্কালোনি। তবে নিকোলাস পাজের ইনজুরির কারণে ৫৫ মিনিটেই সে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয়েছে। কোচ বলেন, “নিকো প্যারালাইটিক ইনজুরিতে পড়েছিল। আমরা ঝুঁকি নেইনি। আশা করি বড় কিছু হয়নি।”

চিলির হার ও বিশ্বকাপের দৌড় থেকে ছিটকে পড়া নিয়ে স্কালোনি বলেন, “যারা ইতিহাস গড়েছে, তাদের সরানো সহজ নয়। তবে সময় বদলেছে। এখন নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দিতে হবে। ভবিষ্যৎ তাদের হাতেই।”

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কোচের কথায় স্পষ্ট—দল কেবল জয়ের লক্ষ্যেই এগোচ্ছে না,ভবিষ্যৎ দল গঠনের দিকেও সমান মনোযোগ দিচ্ছে। আর মাস্তান্তুয়োনোর অভিষেক সেই পথচলারই নতুন দিগন্ত।

মতামত দিন