কৃষি ও কৃষক
ছবি: সংগৃহীত

ধানখেতে হাঁস-মাছের সমন্বিত চাষে বদলে গেছে যুবকের ভাগ্য।

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার রহিমাপুর গ্রামের আবদুর রহিম (৩২) ধানখেতে হাঁস ও মাছের সমন্বিত চাষ  করে প্রতিবছর আট লাখ টাকার মতো আয় করছেন। ধানখেতের চারপাশে হাঁসের খামার ও পানিতে মাছ চাষের মাধ্যমে তিনি নিজেকে স্বাবলম্বী করেছেন।

২০১৩ সালে কৃষিতে আসার পর রহিম ধানচাষের সঙ্গে নতুন উদ্যোগ হিসেবে হাঁস ও মাছের চাষ শুরু করেন। প্রথমবার ২০০ হাঁসের বাচ্চা কিনে গড়ে তোলেন একটি ছোট খামার। এরপর আল বাঁধা পুকুরে মাছের চাষও শুরু করেন। এতে খরচ কম, লাভ ভালো এবং ধানের ফলনও বেড়ে যায়।

রহিম জানান, এই পদ্ধতিতে হাঁস-মাছ ধানখেতের পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ করে, হাঁসের বিষ্ঠা মাছের খাবার হয়। গত দুই বছরে তিনি ১৬ লাখ টাকার মাছ ও হাঁস বিক্রি করেছেন। তাঁর সফলতায় আশপাশের শতাধিক চাষি এখন এই পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন।

রহিমাপুর গ্রামের আরেক শিক্ষিত কৃষক এমদাদুল হকও হাঁস-মাছের সমন্বিত চাষ করে বছরে এক লাখ টাকা আয় করছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীবা রানী রায় বলেন, “ধানখেতে মাছ চাষ ধানের ফলন বাড়ায় এবং পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ।”

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, রহিমের উদ্যোগে এলাকায় মাছের ঘাটতি পূরণ হচ্ছে এবং মৎস্য বিভাগ চাষিদের সবসময় সহযোগিতা করছে।

মতামত দিন