মুন্সীগঞ্জে শীতকালীন সবজি চাষে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন কৃষকরা।
মুন্সীগঞ্জে কৃষকেরা অতিবৃষ্টির পর ক্ষতি পুষিয়ে আবারও মাঠে নেমেছেন। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ফুলকপি ও বাঁধাকপির বীজতলা তৈরি হচ্ছে।
গ্রামের এক কৃষক বলেন, “চারা সাধারণত ২৮ দিনে রোপণের উপযোগী হয়। কিন্তু এবার ঘন ঘন বৃষ্টির কারণে অনেক চারা নষ্ট হচ্ছে। আগে মাত্র তিন মাসে দুই লাখ টাকা লাভ করতাম, এবার লোকসান হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”
স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করেছেন, বিদেশি বীজের দাম সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে তাদের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেছে। গাজীপুর থেকে আসা ক্রেতা ছোবহান মিয়াকে ১ হাজার ২০০ চারা বিক্রি করেছেন মাত্র ৭০০ টাকায়।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমান জানান, “বীজতলা শীতকালীন সবজি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশি বীজের দাম বৃদ্ধি মোকাবিলায় স্থানীয় উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”
এবার মুন্সীগঞ্জে দেশি জাতের কার্তিকা, আইট্টা, কাইট্টা, ষাইটশা ও চালানি ষাইটশা এবং তাইওয়ান ও জাপানের হাইব্রিড জাত যেমন সিরাজি, হেমাজি, ফ্রেশ ও লিনজা চাষ করা হচ্ছে।
মুন্সীগঞ্জের কৃষকরা আশা প্রকাশ করেছেন, সরকারি পর্যাপ্ত সহায়তা থাকলে তারা ক্ষতি কাটিয়ে আবারও লাভজনকভাবে শীতকালীন সবজি উৎপাদনে সক্ষম হবেন।
মতামত দিন