কৃষি ও কৃষক
ছবি: সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের চা বাগান ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

মৌলভীবাজারের চা বাগানগুলো মৌসুমের শেষ দিকে ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা শুরু করেছে। সেখানকার চা শ্রমিকরা এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি পাতা তুলতে পারছেন।

বৃষ্টিপাত ও সহনীয় তাপমাত্রার কারণে গাছগুলো নতুন করে সবুজ হয়ে উঠেছে।

শ্রীমঙ্গল ও সদর উপজেলার বাগানগুলোতে দেখা গেছে, সারি সারি চা গাছের মাঝ দিয়ে শ্রমিকেরা দলবেঁধে পাতা সংগ্রহ করছেন। কয়েক মাস আগে ঘাটতির কারণে বাগানগুলোর উৎপাদন অত্যন্ত কম ছিল। তখন শ্রমিকদের দৈনিক নিরিখ পূরণ করাই কঠিন হয়ে পড়েছিল।

ফিনলে কোম্পানির ভাড়াউড়া চা বাগানের সেকশনের সর্দার উত্তম বাউরি বলেন, “আগে আমাদের বাগান থেকে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার কেজি পাতা তুলা যেত। এখন দৈনিক উৎপাদন বেড়ে প্রায় ১২–১৩ হাজার কেজি হয়েছে।”

নারী শ্রমিকরা জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে গাছগুলো অনেকটা সতেজ হয়েছে। তাদের দৈনিক সংগ্রহও আগে ছয়–সাত কেজি থেকে বেড়ে একশো–দেড়শো কেজি পর্যন্ত হয়েছে।

ক্লোনেল চা বাগানের ব্যবস্থাপক রনি ভৌমিক বলেন, “খরার ত্রাস কাটিয়ে আমাদের বাগান এখন নতুন পাতার সমারোহে ভরে গেছে। উৎপাদনও বেড়ে গেছে।” স্থানীয় টিঃ ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম. এস. মুনির ও বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট শাখার চেয়ারম্যান জিএম শিবলী বলেন, আবহাওয়া চায়ের জন্য এখন অনুকূল। ঘাটতি পূরণ সম্ভব।

চা বোর্ডের তথ্যমতে, চলতি বছরে দেশের চা উৎপাদনের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ১০ কোটি ৩০ লাখ কেজি।

মতামত দিন