কৃষি ও কৃষক
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের চিংড়ি চাষে নতুন সম্ভাবনা।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার রামপুরা চিংড়ি এস্টেট চাষিদের জন্য নতুন আশার দিশা দেখাচ্ছে। সাসটেইনেবল কোস্টাল ও মেরিন প্রকল্পের আওতায় ৭ হাজার একর এলাকায় উন্নয়ন কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

মৎস্য অধিদফতরের আশা, অবকাঠামো আধুনিকায়নের ফলে চিংড়ি উৎপাদন আগের তুলনায় প্রায়  তিনগুণ বৃদ্ধি পাবে। এই “চিংড়ি সিটি” প্রকল্পের সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশের চিংড়ি শিল্প নতুন যুগে  প্রবেশ করবে।

প্রায় পাঁচ দশক আগে রামপুরায় সরকারি উদ্যোগে চিংড়ি চাষ শুরু হলেও, দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে আধুনিক চাষের উপযোগী থাকেনি। ২০১৮ সালে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে মৎস্য অধিদফতর এই স্থাপনার উন্নয়ন কাজ শুরু করে। কাজের পথে নানা চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা থাকলেও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা সফলভাবে এগিয়ে যান।

উন্নয়ন প্রকল্পে ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধ সংস্কার ও নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। খাল খনন শেষ,  ২৩টি স্লুইস গেটের কাজও প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পন্ন। চারটি নার্সারি তৈরি করা হয়েছে, ১৩টি গ্রেআউট পুনঃখনন করা হয়েছে এবং অফিস ভবনসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ প্রায় ৯৫ শতাংশ শেষ।

প্রকল্প পরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী জানিয়েছেন, ৭ হাজার একরের এই স্টেটে তিনগুণ বেশি চিংড়ি উৎপাদন সম্ভব হবে, যা রফতানিও করা যাবে। উপ-প্রকল্প পরিচালক মনিষ কুমার মণ্ডল বলেন, বর্তমান ৭ হাজার একরের পাশাপাশি আরও ২১ হাজার একর চাষ হচ্ছে। এই ২৮ হাজার একরের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে, যা আগামী ৩০ বছরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।

প্রকল্পের সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে কক্সবাজারে টেকসই উন্নয়ন হবে এবং দেশের উপকূলীয় ও সামুদ্রিক মৎস্য খাত শক্তিশালী হবে।

মতামত দিন