কৃষি ও কৃষক
ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রামে কাজু বাদামের চাষা বাদে বিকাশ।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাঙামাটি সদর উপজেলার বালুখালী ইউনিয়নের বসন্ত পাংখোয়ায় আড়াই একর জমিতে কাজুবাদাম চাষ করছেন স্থানীয় চাষি চিয়ালজল পাংখোয়। তিনি ২০২১ সালে চাষ শুরু করেন এবং এ বছর তার বাগানের কিছু গাছে ফলন এসেছে।
এখন পর্যন্ত ৬০ কেজি কাজুবাদাম বিক্রি করেছেন তিনি, প্রতি কেজি দরে ১০০ টাকা। তবে প্রক্রিয়াজাত করে কারখানায় বিক্রির পর প্রতি কেজি দাম দাঁড়ায় প্রায় দেড় হাজার টাকা।

চিয়ালজল আশা করছেন, বাগানের সব গাছে ফলন এলে বছরে কয়েক লাখ টাকা আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে কাজুবাদামের বাণিজ্যিক চাষাবাদ দ্রুত বাড়ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও রাইখালী পাহাড়ি কৃষি গবেষণাকেন্দ্র যৌথভাবে কাজুবাদামের চাষ সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে। এ ছাড়া ব্যক্তিগত উদ্যোগেও কাজুবাদাম চাষে অনেকের আগ্রহ বেড়েছে।

রাইখালী পাহাড়ি কৃষি গবেষণাকেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, তারা পাহাড়ে চাষের উপযোগী ও উচ্চফলনশীল কাজুবাদামের নতুন জাত উদ্ভাবনের জন্য দেশ-বিদেশ থেকে ২০ থেকে ২৫ প্রজাতির কাজুবাদাম গাছ সংগ্রহ করেছেন এবং অধিকাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মুনিরুজ্জামান জানান, চলতি মৌসুমে  রাঙামাটিতে ৩৬২ হেক্টর জমিতে কাজুবাদামের চাষ হয়েছে এবং ফলন সংগ্রহ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে কাজুবাদাম চাষে ভবিষ্যতে আরও উন্নয়নের সম্ভাবনা রয়েছে এবং সে জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন চলছে।

পার্বত্য অঞ্চলে কাজুবাদামের চাষ বাড়ায় কৃষকদের আয়ের উৎস বৃদ্ধি পাবে এবং এই এলাকার কৃষি উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মতামত দিন