হজে সরকারি খরচ কমিয়ে ৩ কোটি টাকা ফেরত দেয়ার আশা ধর্ম উপদেষ্টার।
২০২৬ সালের হজ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর সরকারি প্যাকেজ-১ ও প্যাকেজ-২ থেকে হজযাত্রীদের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ ফেরত দেওয়া সম্ভব হবে। ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন মঙ্গলবার সচিবালয়ে শেষ কর্মদিবসের সংবাদ সম্মেলনে এ আশা ব্যক্ত করেন।
ড. খালিদ হোসেন জানান, দায়িত্বে থাকাকালীন সময় তিনি মন্ত্রণালয়ের কাজকে স্বচ্ছ ও কার্যকর রাখার চেষ্টা করেছেন। এর ফলে এবারও কোনো হজযাত্রীকে সরকারি ব্যয়ে পাঠাতে হয়নি।
তিনি উল্লেখ করেন, সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে এবার মেডিকেল সার্ভিস ফি মওকুফ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বিমানভাড়া গত দুই বছরে প্রায় ৪০ হাজার টাকা কমানো সম্ভব হয়েছে। এর ফলে ২০২৬ সালে হজের বিমানভাড়া দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা।
ড. খালিদ হোসেন হজ ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য সাফল্যও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০১৭ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সৌদি আরবে আটকে থাকা ৩৮ কোটি টাকারও বেশি অর্থ উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এবার ৪ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ টাকার সাশ্রয়ী হজ প্যাকেজ চালু করা হয়েছে। হাজিদের থাকার ব্যবস্থা হারাম শরীফের দেড় কিলোমিটারের মধ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শূন্যপদে নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রক্রিয়াও দ্রুততর করা হয়েছে।
মতামত দিন