তেঁতুলিয়ায় শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত জনজীবন,সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
হিমালয়ের নিকটবর্তী পঞ্চাগড়ের তেঁতুলিয়া এবারও আগেভাগেই কাঁপিয়ে দিচ্ছে উত্তরাঞ্চলকে। কয়েক দিন ধরেই জেলার তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে।
দিনের বেলায় রোদের দেখা মিললেও উষ্ণতার তেমন ছোঁয়া পাওয়া যাচ্ছে না। হিমালয়ঘেঁষা বাতাসে আশপাশের পুরো জেলাজুড়েই ঠান্ডা স্থির হয়ে আছে। বিশেষ করে ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত কনকনে ঠান্ডায় গ্রামীণ জনপদে গরম কাপড় ছাড়া বাইরে বের হওয়া দায়। নিম্ন আয়ের মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্মও কঠিন হয়ে পড়েছে—শীত বাড়ার পর থেকেই তাদের দুর্ভোগ যেন প্রতিদিনই নতুন করে শুরু হয়।
হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগেও বাড়ছে চাপ। শীতজনিত অসুস্থতায় শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। যারা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, তাদেরই ভর্তি নিতে হচ্ছে।
ভ্যানচালকরা জানাচ্ছেন, খুব সকালে রাস্তায় নামাই কঠিন হয়ে গেছে। পাথর শ্রমিকরাও একই কষ্টের সাক্ষী। মহানন্দা নদীতে কাজ করেন এক শ্রমিক—তিনি বলেন, ঠান্ডা পানিতে নেমে পাথর তোলার কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়, কিন্তু পরিবার চালাতে কাজ থামানোও যায় না।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ জানান, বর্তমানে জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তিনি।
মতামত দিন