আবহাওয়া
ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড়ে হিমেল হাওয়ায় তীব্র শীত, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

উত্তরের সীমান্তবর্তী পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। হিমালয় কন্যা হিসেবে পরিচিত জেলা জুড়ে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে পরের দিন সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা বিরাজ করছে, যা সাধারণ মানুষসহ নিম্ন আয়ের মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে চরমভাবে প্রভাবিত করছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন। দিনের বেলা সূর্যের আলো থাকলেও সন্ধ্যার পর তীব্র ঠান্ডা শুরু হয় এবং গভীর রাত পর্যন্ত ঘন কুয়াশা বিরাজ করে।

স্থানীয়রা জানান, শীতের কারণে সকালবেলা কাজে সময়মতো পৌঁছানো যাচ্ছে না। বিশেষ করে পাথর শ্রমিক, চা শ্রমিক এবং খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষরা চরম বিপাকে পড়েছেন।

এদিকে, শীতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালসহ চারটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পেয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, হিমালয়ের নিকটবর্তী অবস্থানের কারণে জেলার শীত মৌসুমে তীব্র হয়। উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়ায় তাপমাত্রা নিম্নমুখী হচ্ছে। গত এক সপ্তাহ ধরে তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে।

জেলার এক বাসিন্দা বলেন, “দিনে রোদ থাকলেও সন্ধ্যা নামার পর শীত আবার তীব্র হয়।”
এক পাথর শ্রমিক বলেন, “সকালে কাজে আসার সময় খুব ঠান্ডা লাগে। আমরা গরীব, কাজ না করলে তো জীবন চলে না।”

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, “আজ সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে আরও কমে যেতে পারে।”

মতামত দিন