আবহাওয়া
ছবি: সংগৃহীত

ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ দুর্বল হয়ে লঘুচাপে রুপ নিয়েছে ৩ বিভাগে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ এখন আর ঘূর্ণিঝড় নেই; এটি দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে এর অবস্থান ভারতের উত্তর ছত্তিশগড় ও আশপাশের এলাকায়।

এর প্রভাবে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তিন বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা—অর্থাৎ আগামী দুই দিন রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

অধিদফতরের বৃষ্টিমাত্রা সংজ্ঞা অনুযায়ী, কোনো এলাকায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিকে ‘ভারী’ এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিকে ‘অতি ভারী’ বলা হয়।

এদিকে কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, ‘মোন্থা’র প্রভাবে শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছিটেফোঁটা ও মাঝারি মাত্রার বৃষ্টি হতে পারে।

তার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় সকালের পর থেকে বিকেল পর্যন্ত বৃষ্টির প্রবণতা থাকবে। বিশেষ করে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।

রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও বগুড়াতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও কিশোরগঞ্জ ছাড়া অন্যান্য জেলায় দুপুরের আগে বৃষ্টির আশঙ্কা কম। খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু উপকূলীয় জেলায় দুপুরের পর হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়টি সম্পূর্ণভাবে বিলীন হলেও এর অবশিষ্ট প্রভাব আগামী দুই দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত ঘটাতে পারে।

মতামত দিন