নদীর পানি বৃদ্ধি: ৯ জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যার সতর্কতা।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় অতি ভারী, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের নির্দিষ্ট স্থানে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উজান এবং মেঘালয়, আসাম ও সিকিম প্রদেশেও ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে।
পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে এবং ভারতের মেঘালয়, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম, বিহার ও ত্রিপুরার তৎসংলগ্ন অঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপৎসীমার ওপরে পৌঁছাতে পারে। এ কারণে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোতে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।
রংপুর অঞ্চলে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি ইতিমধ্যেই বেড়েছে এবং আগামী দুই দিনে আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে ভিন্তা ও দুধকুমার নদী বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। ধরলা নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রামের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলও প্লাবিত হতে পারে।
চট্টগ্রামে গোমতী নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে, যদিও মুহুরী, সেলোনিয়া, সাঙ্গু, ফেনী, হালদা ও মাতামুহুরী নদীর পানি সামান্য কমেছে। এই নদীগুলোর পানি আগামী এক দিনে আবার বাড়তে পারে। বিশেষত মুহুরী, সেলোনিয়া, ফেনী ও হালদা নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হবে এবং ফেনী ও চট্টগ্রামের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে সাময়িক প্লাবন ঘটতে পারে।
সিলেট ও ময়মনসিংহে সারিপোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী, ভুলাই ও কংস নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীগুলোর পানি আগামী দুই দিনে আরও বাড়তে পারে এবং সতর্কসীমার ওপরে প্রবাহিত হতে পারে। ফলে সিলেট, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও শেরপুরে নদীসংলগ্ন এলাকাগুলোতে বিপদজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

মতামত দিন