আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাহিনীতে তুরস্ক–কাতারকে চায় না ইসরায়েল।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ থামার পর কীভাবে শাসন ও নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে উঠবে—তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি বিস্তৃত রূপরেখা নিয়ে আলোচনা চলছে। সেই পরিকল্পনার অন্যতম অংশ হিসেবে গাজায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব থাকলেও, কারা সেই বাহিনীতে থাকবে—তা নিয়ে স্পষ্ট আপত্তি তুলেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

ইসরায়েলি সংসদ নেসেটে দেওয়া বক্তব্যে নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, যুদ্ধ-পরবর্তী গাজায় মোতায়েন হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। তার ভাষায়, গাজার ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কাঠামোয় এই দুটি দেশের কোনো ভূমিকা থাকবে না।

উল্লেখ্য, গত বছর ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। বর্তমানে সেই চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছে। এই ধাপে গাজায় নিরস্ত্রীকরণ কার্যক্রম এবং একটি বহুজাতিক স্থিতিশীলিকরণ বাহিনী মোতায়েনের কথা রয়েছে।

নেতানিয়াহু বলেন, দ্বিতীয় ধাপের মূল লক্ষ্য হলো গাজা উপত্যকাকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র করা এবং ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের অস্ত্র কেড়ে নেওয়া। তবে এই প্রক্রিয়ায় কারা আন্তর্জাতিক অংশীদার হবে, সে বিষয়ে ইসরায়েলের অবস্থান স্পষ্ট।

বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্ক ও কাতারকে বাদ দেওয়ার ঘোষণা যুদ্ধ–পরবর্তী গাজা ব্যবস্থাপনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অভিন্ন পরিকল্পনায় নতুন করে কূটনৈতিক জটিলতা তৈরি করতে পারে। কারণ মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এই দুই দেশের প্রভাব ও ভূমিকা উপেক্ষা করা সহজ হবে না।

মতামত দিন