গ্রিনল্যান্ডে নজর রাখছে যুক্তরাষ্ট্র, দখলের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইঙ্গিত দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ডের ওপর মার্কিন আগ্রাসনের জন্য সামরিক বিকল্প বিবেচনা করা হতে পারে। হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আর্কটিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এই দ্বীপটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হচ্ছে, রাশিয়া ও চীনের সামরিক কার্যক্রম এই অঞ্চলে বেড়ে গেছে এবং ডেনমার্ক একা গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম নয়। এই কারণে আর্কটিক অঞ্চলের স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হতে পারে।
তবে ইউরোপের দেশগুলো এই অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ডেনমার্ক, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড ও স্পেন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধুমাত্র গ্রিনল্যান্ডের জনগণ ও ডেনমার্কের। কানাডাও ডেনমার্কের অবস্থানের পাশে থাকার কথা জানিয়েছে।
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাত্ক্ষণিক বৈঠকের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্মানজনক সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে ডেনমার্ক যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
মার্কিন ভেতরেও মতের বৈষম্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেউ সামরিক বিকল্পকে সমর্থন করলেও অনেকে মনে করেন, দ্বীপটি ক্রয় করাই ট্রাম্প প্রশাসনের প্রকৃত লক্ষ্য। একই সঙ্গে কংগ্রেসের উভয় দলের সদস্যরা ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব সম্মানের আহ্বান জানিয়েছে।
মতামত দিন