বাংলাদেশের মুহুরী নদীর নতুন বাঁধ ঘিরে ভারতের উদ্বেগ।
বাংলাদেশের মুহুরী নদীর ধারে একটি নতুন বাঁধ নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে ভারত। বাঁধটি ভবিষ্যতে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় কী প্রভাব ফেলতে পারে, তা সরেজমিনে দেখতে ত্রিপুরা রাজ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল পাঠানো হয়েছে।
রোববার দলটি বিলোনিয়া সীমান্ত শহর পরিদর্শন করে। নেতৃত্বে ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্যের গণপূর্ত বিভাগের সচিব কিরণ গিট্টে। সীমান্ত এলাকা ঘুরে তিনি স্থানীয় বাসিন্দা এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। উপস্থিত ছিলেন বিলোনিয়া পৌরসভার চেয়ারম্যানও।
কিরণ গিট্টে বলেন, বিলোনিয়া ও আশপাশের এলাকাকে সুরক্ষিত রাখতে ভারত সরকার নিজস্ব বাঁধ নির্মাণ এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে। আগামী জুন মাসের মধ্যেই এই কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
দক্ষিণ ত্রিপুরায় কাজের পরিমাণ বেশি হওয়ায় অতিরিক্ত পাঁচজন প্রকৌশলী সেখানে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, গত বছরের আগস্টে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে নদীপাড়ের অনেক বাঁধ ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাজ্যজুড়ে এমন ৪৩টি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে, যার একটি হচ্ছে দক্ষিণ ত্রিপুরা।
এই প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে জানানো হয়, যেখানে বিএসএফ-এর কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
ভারতের গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নির্মিত নতুন বাঁধটি সীমান্তের খুব কাছে হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাদের ধারণা, বর্ষাকালে নদীর পানি বেড়ে গেলে এই বাঁধের কারণে ভারতের ভেতরের গ্রামগুলোতে জলাবদ্ধতা কিংবা বন্যার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
বিলোনিয়া পৌর এলাকা, বল্লামুখ এবং ঈশান চন্দ্রনগরের বাসিন্দারা নতুন বাঁধকে সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন।

মতামত দিন