আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত

বিয়ে করলেই নাগরিকত্ব মেলে যেসব দেশে।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

একটি দেশের নাগরিকত্ব পাওয়া অনেক সময় দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া হলেও পৃথিবীর কিছু দেশে নাগরিককে বিয়ে করলেই তুলনামূলক সহজে নাগরিকত্ব পাওয়া যায়। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে তুরস্ক, স্পেন, আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, সুইজারল্যান্ড ও কেপ ভার্ড।
নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো এসব দেশের প্রক্রিয়া:

তুরস্ক:

তুরস্কের নাগরিককে বিয়ে করার পর তিন বছর বৈধভাবে একসঙ্গে বসবাস করলে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়।
বিশেষ সুবিধা: তুরস্কের পাসপোর্টধারীরা ১১০টিরও বেশি দেশে ভিসা ছাড়া অথবা ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা পান।

স্পেন:

স্প্যানিশ নাগরিককে বিয়ে করে তার সঙ্গে এক বছর একসঙ্গে থাকলেই নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়।
শর্ত: বিয়ের বৈধ সনদ ও একসঙ্গে বসবাসের প্রমাণ দিতে হবে।
বোনাস: স্পেনের নাগরিকত্ব পেলে লাতিন আমেরিকার বহু দেশে দ্বৈত নাগরিকত্ব রাখা যায়।

আর্জেন্টিনা:

আর্জেন্টিনার নাগরিককে বিয়ে করার দুই বছর পর নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়।
শর্ত: বৈধ বিয়ের প্রমাণ, অপরাধমুক্ত রেকর্ড ও সাধারণ স্প্যানিশ ভাষাজ্ঞান থাকতে হবে।

মেক্সিকো:

মেক্সিকান নাগরিককে বিয়ে করে তার সঙ্গে দুই বছর বসবাস করলেই নাগরিকত্বের সুযোগ মেলে।
শর্ত: স্প্যানিশ ভাষার মৌলিক দক্ষতা, বৈধ বিয়ের সনদ ও সহবাসের প্রমাণ থাকা প্রয়োজন।

সুইজারল্যান্ড:

সাধারণত কঠোর অভিবাসন নীতি থাকলেও বিয়ের মাধ্যমে সুইস নাগরিকত্বের রাস্তা সহজ।

শর্ত:যদি দেশে বসবাস করেন, তাহলে ৩ বছর একসঙ্গে থাকার পর ৫ বছর পূর্ণ হলে আবেদন করা যায়।

যদি বিদেশে বসবাস করেন, তাহলে বিয়ের ৬ বছর পর নাগরিকত্ব চাওয়া যায়।প্রয়োজন: দেশের ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান, অপরাধমুক্ত রেকর্ড ও বৈধ দাম্পত্য সম্পর্ক।

কেপ ভার্ড:

পশ্চিম আফ্রিকার এই দ্বীপরাষ্ট্রে স্থানীয় নাগরিককে বিয়ে করলেই নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়।
শর্ত: বৈধ বিয়ের প্রমাণ থাকা আবশ্যক।

বিয়ে কোনো দেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পথ নয়, তবে এসব দেশে এটি একটি বৈধ ও স্বীকৃত উপায়। অবশ্যই প্রতিটি দেশের প্রক্রিয়ায় সততা, নৈতিকতা এবং বৈধতার প্রমাণ জরুরি।

মতামত দিন