গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে ইয়েমেনে বিশাল বিক্ষোভ।
সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ফিলিস্তিনি ও ইয়েমেনের পতাকা হাতে নিয়ে রাস্তায় নামে। ‘ইসরায়েল ধ্বংস হোক’, ‘আমেরিকার হত্যাযজ্ঞ চলবে না’—এমন নানা স্লোগানে উত্তাল হয় সানা শহরসহ দেশের আরও কয়েকটি অঞ্চল।
হুতি নেতা আবদুল মালিক আল-হুথি এক ভিডিও বার্তায় জানান, “গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর নৃশংসতা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমরা প্রতিরোধ চালিয়ে যাব। আমাদের অস্তিত্বের শেষ দিন পর্যন্ত ফিলিস্তিনের পাশে থাকব।”
গত বছরের অক্টোবরে হামাসের হামলার পর পাল্টা অভিযানে ইসরায়েলের চালানো ব্যাপক হামলায় গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৮ হাজারেরও বেশি মানুষ, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এ অবস্থায় যুদ্ধবিরতির দাবি থাকলেও রাফাহ শহরে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইয়েমেন থেকে এই গণবিক্ষোভ মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলবিরোধী জনমতকে আরও বেগবান করবে। হুতিদের পক্ষ থেকে লোহিত সাগরে জাহাজ হামলা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথে বিঘ্ন সৃষ্টি—এগুলো এই লড়াইকে শুধু সামরিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ রাখছে না, বরং কূটনৈতিক চাপও বাড়াচ্ছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গঠিত সামরিক জোট হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে একাধিক বিমান হামলা চালালেও ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কার্যক্রম থামেনি। বরং, তারা বলছে, “এই লড়াই শুধু ফিলিস্তিনের জন্য নয়, এটা ন্যায়বিচারের জন্য।”
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যখন গাজার পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবাদ চলছে, তখন ইয়েমেনের এই বিক্ষোভ মুসলিম বিশ্বে ফিলিস্তিনি সংহতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
মতামত দিন